
তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। ৫০ মিনিটে ড্যানিয়েল আরসিলা গোল করে লিওনকে সমতায় ফেরান। সমতা ফেরার আনন্দ অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি সফরকারী দলের। মাত্র তিন মিনিট পর ইয়ানিক ব্রাইট গোল করে আবারও মায়ামিকে এগিয়ে দেন।
২-১ গোলে পিছিয়ে পড়েও লিওন ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়নি। বরং ধীরে ধীরে তারা মায়ামির ওপর চাপ বাড়াতে থাকে। ৬১ মিনিটে হুয়ান ডমিনগেজের গোলে আবারও সমতায় ফেরে ম্যাচ। তখন দু’দলই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে।
ম্যাচের শেষ ভাগে এসে নাটক আরও জমে ওঠে। ৮৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন আরসিলা। তার সেই গোলেই প্রথমবারের মতো ম্যাচে এগিয়ে যায় লিওন। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেক্সিকান দলটি।
মায়ামির জন্য ম্যাচটির আরেকটি বড় ঘটনা ছিল মেসির মাঠে ফেরাটা। স্বল্প সময়ের বিরতির পর আর্জেন্টাইন তারকাকে শুরুতে একাদশে না রেখে বদলি হিসেবে রাখা হয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পিন্টারের জায়গায় মাঠে নামানো হয় তাকে।
মেসি মাঠে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারিতে তৈরি হয় অন্য রকম আবহ। নু স্টেডিয়ামের দর্শকেরা দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। দীর্ঘ বিরতির পর মেসির প্রত্যাবর্তন মায়ামির সমর্থকদের মধ্যে নতুন আশার জন্ম দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার উপস্থিতিও দলের ভাগ্য বদলাতে পারেনি।
মেসি মাঠে নামার পর মায়ামি আক্রমণে আরও প্রাণ ফেরানোর চেষ্টা করলেও লিওনের রক্ষণভাগ ও পাল্টা আক্রমণের সামনে কাঙ্ক্ষিত গোলটি আর পায়নি। উল্টো শেষদিকে আরসিলার গোলেই নিশ্চিত হয়ে যায় মায়ামির বিদায়।
ফলে লিগস কাপের এবারের অভিযানে মায়ামির পথচলা থেমে গেল ম্যাচডে ৩-তেই। জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ম্যাচে ঘরের মাঠে ৩-২ গোলে হেরে যাওয়ার পাশাপাশি মেসির প্রত্যাবর্তনের রাতটিও শেষ পর্যন্ত হয়ে থাকল হতাশার। আর লিওন গুরুত্বপূর্ণ জয় নিয়ে নিজেদের পরের পর্বের আশা আরও শক্তিশালী করল।