
দেশটির নেতৃত্ব স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশে ও বিদেশে বসবাসরত পাকিস্তানিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তারা জাতির পিতা কায়েদে-আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল এবং পাকিস্তান আন্দোলনের সেইসব নিবেদিতপ্রাণ কর্মীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান, যাদের আত্মত্যাগ, দূরদর্শিতা ও অটুট অঙ্গীকারের ফলে পাকিস্তানের সৃষ্টি হয়েছিল।
স্বাধীনতার পর শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ক্রীড়া ও প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাকিস্তানের উল্লেখযোগ্য অর্জনের কথা তুলে ধরে দেশটির নেতৃত্ব উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জন এবং জাতির প্রতিষ্ঠাতাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কায়েদে-আজমের নির্দেশিত ঐক্য, বিশ্বাস ও শৃঙ্খলা-র নীতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়। ভারতের বিরুদ্ধে অপারেশন মারাক-এ-হক-এর সাফল্যের কথা গর্বের সঙ্গে স্মরণ করে দেশটির নেতৃত্ব পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার দৃঢ় সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তান তার ভূমিকা অব্যাহত রাখবে বলে জানানো হয়।
ভারতীয়-নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের প্রতি পাকিস্তানের সংহতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব এবং কাশ্মীরি জনগণের আকাঙ্ক্ষার আলোকে জম্মু ও কাশ্মীর বিরোধের সমাধানের প্রতি পাকিস্তানের অঙ্গীকারও পুনরায় ব্যক্ত করা হয়।
এ ছাড়া আফগানিস্তানের মাটি থেকে পাকিস্তানসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে সংঘটিত সন্ত্রাসবাদ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
অনুষ্ঠানে হাইকমিশন আয়োজিত ‘পাকিস্তানের ঐতিহাসিক স্থানসমূহ’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়।
পাকিস্তানের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান শেষ হয়।