ঢাকার মিরপুরে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক মো. মোক্তার হোসেন ডিবি হেফাজতে মারা গেছেন। পুলিশের দাবি—আটকের সময় পালাতে গেলে ‘জনতার মারধরে’ আহত হন তিনি। পরে চিকিৎসা শেষে ডিবি কার্যালয়ে ফেরত আনার পর আজ সকালে তার মৃত্যু হয়।
গত ১৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় পল্লবীর সি-ব্লকের একটি হার্ডওয়্যার দোকানে ঢুকে খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয় যুবদল পল্লবী থানা সদস্যসচিব গোলাম কিবরিয়াকে। ঘটনার পরদিন স্ত্রী সাবিহা আক্তার দীনা পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন, যার তদন্তভার পরে ডিবিতে যায়।
ডিএমপি উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান “গ্রেফতার নজরুল, মাসুম ও জামান হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র মোক্তারের কাছে আছে বলে জানায়। তাদের তথ্য অনুযায়ী ডিবি টিম পল্লবীতে অভিযান চালায় এবং স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করে।”
ডিবির দাবি—মোক্তারের দেখানো মতে তার রিকশা গ্যারেজ থেকে আট রাউন্ড পিস্তলের গুলি উদ্ধার করা হয়। পরে রাত দেড়টার দিকে অসুস্থ হলে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ওষুধ দিয়ে ছাড়পত্র দেন।
শুক্রবার সকালে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেলে আবার হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে রাখা হয়েছে।
এ ঘটনায় ডিএমপি অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. সরওয়ারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
অন্যদিকে, ঘটনাস্থল থেকে আটক জনি ভূঁইয়া ইতোমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। র্যাবের হাতে গ্রেফতার মনির হোসেন ও সুজনকে বৃহস্পতিবার চার দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।