
বিদ্যুৎ বিভাগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রিপেইড মিটারের ক্ষেত্রে প্রতি মাসের প্রথম রিচার্জে ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া কেটে নেওয়া হয়। যদি কোনো মাসে রিচার্জ না করা হয়, তবে পরবর্তী রিচার্জের সময় পূর্ববর্তী সব মাসের বকেয়া ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া একসাথে কেটে নেওয়া হয়।
প্রিপেইড মিটার ও পোস্টপেইড মিটারে বিদ্যুৎ ব্যবহারের খরচ একই। প্রিপেইড মিটারে সরকারের প্রণোদনা হিসেবে ব্যবহৃত বিদ্যুতের ০.৫% রিবেট দেওয়া হয়। প্রিপেইড মিটারে নিরাপত্তা জামানত প্রযোজ্য হয় না।
ডিমান্ড চার্জ আবাসিক গ্রাহকের জন্য অনুমোদিত লোড অনুযায়ী প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ৪২ টাকা, এবং ৫% ভ্যাট অনুযায়ী কাটা হয়। মিটার ভাড়া বিতরণ প্রতিষ্ঠানের সরবরাহ করা মিটারের জন্য প্রতি মাসে—সিঙ্গেল ফেজ ৪০ টাকা, থ্রি ফেজ ২৫০ টাকা। গ্রাহক সরবরাহ করা মিটারে মিটার ভাড়া প্রযোজ্য নয়।
প্রিপেইড মিটারের রিচার্জ যেকোনো সময় ও স্থান থেকে অনলাইনে (বিকাশ, নগদ, GP, Rabi, উপায়, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড) বা সংস্থার ভেন্ডিং স্টেশন, পস এজেন্ট ও ব্যাংক বুথের মাধ্যমে করা যায়। রিচার্জের সঙ্গে সঙ্গে মিটার ব্যালেন্স জানা যায় এবং কমলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিফিকেশন বা অ্যালার্ম আসে।
যদি মিটার ব্যালেন্স শেষ হয়ে যায়, গ্রাহক বিকেল ৪টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত, সপ্তাহান্তে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে অগ্রিম ক্রেডিট সুবিধা নিতে পারেন। এই ব্যবহৃত ইউনিট পরবর্তী রিচার্জের সময় ব্যালেন্স থেকে কেটে নেওয়া হয়। তবে, অবশিষ্ট ব্যালেন্স থেকে ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া কাটা হয় না; শুধুমাত্র প্রথম রিচার্জের সময় এই চার্জগুলো প্রযোজ্য হয়।