
গাজায় চলমান যুদ্ধে ইসরায়েলকে গোপন সামরিক ও গোয়েন্দা সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) বিরুদ্ধে। ‘এমিরেটলিকস’ নামের একটি অনুসন্ধানী প্ল্যাটফর্মের হাতে আসা কিছু গোপন নথিতে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলকে ‘সব ধরনের প্রয়োজনীয় উপায়ে’ সমর্থন দিতে প্রস্তুত ছিল আমিরাত।
নথি অনুযায়ী, লোহিত সাগর অঞ্চলে অবস্থিত আমিরাতের সামরিক ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করে ইসরায়েলকে সরাসরি সামরিক, গোয়েন্দা ও লজিস্টিক সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। এই নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য ইয়েমেনের আল-মোখা, ইরিত্রিয়ার মাসাওয়া ও আসাব এবং সোমালিয়ার ঘাঁটিগুলোকে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো পরাজিত না হওয়া পর্যন্ত এই সহায়তা অব্যাহত রাখতে হবে। এছাড়া ইসরায়েলকে ১ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের গোয়েন্দা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি সরবরাহ করার বিষয়টিও নথিতে উঠে এসেছে।
ফাঁস হওয়া এই তথ্যে কাতার ও কুয়েতের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে, যা আমিরাতের আঞ্চলিক নীতির বিরোধী। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি গাজা যুদ্ধে ব্যবহৃত ১ কোটি ৭১ লাখ ডলারের অস্ত্র আমিরাত-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইসরায়েলে রপ্তানি করা হয়েছে বলেও আগে অভিযোগ উঠেছিল।