
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পটপরিবর্তন পর দেশের সংকটময় সময়ে চট্টগ্রামে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন দীপক কুমার পালিত।
দেশের ক্রান্তিলগ্নে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের
পাশে দাড়িয়ে সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন ও সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় গঠন, জনসংখ্যার অনুপাতিক হারে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করাসহ বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাজপথে সম্মুখ সারীর যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে গেছেন দীপক কুমার পালিত।
সনাতনী সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ রাখার পাশাপাশি সম্প্রীতি ও স্বাধীনতার পক্ষে শক্তিকে সুসংগঠিত করতে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে গিয়ে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৯ আসন থেকে মনোনয়ন গ্রহণ করলেও বৃহত্তর রাজনৈতিক স্বার্থে তিনি নিজে সরে দাঁড়িয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সমর্থন জানান—যা তার দায়িত্ববোধ ও দূরদর্শিতার প্রমাণ বহন করে।
দীপক কুমার পালিত হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের, ট্রাস্টি হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে মন্দিরভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গীতা শিক্ষাকেন্দ্র গুলোকে আরও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে যাচ্ছেন। মাঠ পর্যায়ে
নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে তিনি পাঠদান পদ্ধতি ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় করার কারণে শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে মন্দির ভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করেছেন।
দীপক কুমার পালিত বলেন,প্রতিটি মঠ ও মন্দিরের ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণে সরকার বদ্ধপরিকর।
দায়িত্ব পালনকালে ট্রাস্টি দীপক কুমার পালিতের অগ্রনী ভুমিকা ইতোমধ্যে বেশ প্রসংশনীয়। তিনি
সমাজের অসচ্ছল ও পিছিয়ে পড়া হিন্দু পরিবারগুলোকে আর্থিক সহযোগিতা, চিকিৎসা সহায়তা, বৃত্তি প্রদান কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন।
ট্রাস্টি দীপক কুমার পালিত মনে করেন, চট্টগ্রাম সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ—এখানে সব ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানে আবদ্ধ। তিনি দায়িত্ব গ্রহন করার পর থেকে সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের কল্যাণে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সেবায়েত ও পুরোহিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, শুদ্ধ ধর্মীয় আচরণ, মন্দির ব্যবস্থাপনা দক্ষতা
সামাজিক সম্প্রীতির চর্চার ফলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবার মান ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জনসম্পৃক্ততা ও সচেতনতা বৃদ্ধি বিভিন্ন সভা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষকে সামাজিক ও ধর্মীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তার বক্তব্যের মূল প্রতিপাদ্য—স্বেচ্ছাসেবার গুরুত্ব
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে সমাজ উন্নয়নের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা
তরুণ প্রজন্মকে নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা। এছাড়া মন্দির তালিকাভুক্তি ও নিরাপত্তা জোরদারেও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
উন্নয়ন ও সম্প্রীতির ইতিবাচক বার্তা
সরকারের ধর্মীয় কল্যাণমূলক কার্যক্রম জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও উন্নয়নের বার্তা উপস্থাপনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে।
সার্বিক মূল্যায়ন মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্টদের মতামতের ভিত্তিতে বলা যায়— দীপক কুমার পালিত ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার, মানবিক সহায়তা এবং সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে এক নিবেদিত প্রাণ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের পরিচয় দিচ্ছেন। তার ধারাবাহিক উদ্যোগ ধর্মীয় কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও শক্তিশালী করছে।
ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক তার এক ছেলে এক মেয়ে বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ার।
বহুগুনের অধিকারী দীপক কুমার পালিত একজন রাজনীতিবিদ, দক্ষ সংগঠক, শিক্ষক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। ইতিমধ্যে তিনি তিন তিন বার
চট্টগ্রাম মহানগর থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করেছেন। ইতিমধ্যে তার একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তিনি ৩০ অধিক মঠ, মন্দির এবং দেবালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
আগামীতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর চসিক নির্বাচনে তিনি মেয়র পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছেন।
প্রতিনিধির নাম 












