ঢাকা ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩

নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো জাপানের ৫ পেট্রোল বোট

​সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার ও উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি বাড়াতে বাংলাদেশ নৌবহরে যুক্ত হলো জাপানের দেওয়া পাঁচটি অত্যাধুনিক পেট্রোল বোট। আজ বৃহস্পতিবার জাপানের ‘অফিসিয়াল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স’ (ওএসএ)-এর আওতায় প্রাপ্ত এই বোটগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
​হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, পিএসসি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপানের পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রী শিমাদা তোমোয়াকি। অনুষ্ঠানে নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জাপানি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে উচ্চগতিসম্পন্ন এই বোটগুলো সংগ্রহের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, গত ৬ ফেব্রুয়ারি বোটগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায়। এরপর জাপানি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে নৌবাহিনীর সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
​বোটের সক্ষমতা:
প্রতিটি বোট ১৬.১৫ মিটার দীর্ঘ ও ৩.৫৩ মিটার প্রশস্ত। ১৩.৫ টন ধারণক্ষমতার এই বোটগুলো ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩২ মাইল গতিতে ছুটতে সক্ষম। কম গভীরতার জলপথেও এগুলো অনায়াসে চলাচল করতে পারে। ফলে দেশের নদী, মোহনা ও উপকূলীয় অঞ্চলের দুর্গম ও সংকীর্ণ এলাকায় অভিযান পরিচালনায় এগুলো বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
​নৌবাহিনী সূত্রে জানানো হয়, টহল অভিযান, অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতা, মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় এই বোটগুলো ব্যবহারের ফলে দেশের সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। এই প্রকল্প দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

১২ বছরেই শতকোটির মালিক; চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্মকর্তা আলতাফের ‘আলাদিনের চেরাগ’

নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো জাপানের ৫ পেট্রোল বোট

আপডেট সময় : ০১:২৩:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

​সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার ও উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি বাড়াতে বাংলাদেশ নৌবহরে যুক্ত হলো জাপানের দেওয়া পাঁচটি অত্যাধুনিক পেট্রোল বোট। আজ বৃহস্পতিবার জাপানের ‘অফিসিয়াল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স’ (ওএসএ)-এর আওতায় প্রাপ্ত এই বোটগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
​হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, পিএসসি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপানের পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রী শিমাদা তোমোয়াকি। অনুষ্ঠানে নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জাপানি প্রতিনিধি দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
​সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে উচ্চগতিসম্পন্ন এই বোটগুলো সংগ্রহের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, গত ৬ ফেব্রুয়ারি বোটগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায়। এরপর জাপানি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে নৌবাহিনীর সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
​বোটের সক্ষমতা:
প্রতিটি বোট ১৬.১৫ মিটার দীর্ঘ ও ৩.৫৩ মিটার প্রশস্ত। ১৩.৫ টন ধারণক্ষমতার এই বোটগুলো ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩২ মাইল গতিতে ছুটতে সক্ষম। কম গভীরতার জলপথেও এগুলো অনায়াসে চলাচল করতে পারে। ফলে দেশের নদী, মোহনা ও উপকূলীয় অঞ্চলের দুর্গম ও সংকীর্ণ এলাকায় অভিযান পরিচালনায় এগুলো বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
​নৌবাহিনী সূত্রে জানানো হয়, টহল অভিযান, অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতা, মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় এই বোটগুলো ব্যবহারের ফলে দেশের সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে। এই প্রকল্প দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।