ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

র‍্যাবের অভিযানে ধরা পড়ল হায়দ্রাবাদ রথখলার অবৈধ ঘোড়া জবাই কারখানা

গাজীপুর মহানগরীর হায়দ্রাবাদ রথখলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ঘোড়া জবাই ও মাংস সরবরাহের অভিযোগে র‍্যাব-১ ও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছে। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকেল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলা অভিযানে জীবিত ৩৭টি এবং জবাইকৃত ৮টি মোট ৪৫টি ঘোড়া জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় কারখানার মালিক শফিকুল ইসলাম (৪৫) ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়।

পুলিশ ও র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল ইসলাম হায়দ্রাবাদ মৌলভী বাড়ির পাশে ভাড়া করা স্থানে দীর্ঘদিন ধরে ঘোড়া কিনে জবাই করতেন এবং রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মাংস সরবরাহ করতেন। র‍্যাব-১-এর এসপি শহিদুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানকালে বিপুলসংখ্যক জীবিত ঘোড়া, জবাই সরঞ্জাম, রক্তাক্ত মেঝে ও মাংস সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, রাতভর জবাইয়ের শব্দ ও দুর্গন্ধে তাদের দৈনন্দিন জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, এটি সম্পূর্ণ অবৈধ ও দণ্ডনীয় কার্যক্রম; শফিকুলকে আগে তিনবার জরিমানা করা হয়েছিল, তবুও সে থামেনি। অভিযানে পালিয়ে যাওয়া শফিকুল ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে, আর জব্দ ঘোড়াগুলো অস্থায়ীভাবে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

র‍্যাবের অভিযানে ধরা পড়ল হায়দ্রাবাদ রথখলার অবৈধ ঘোড়া জবাই কারখানা

আপডেট সময় : ০২:৪৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

গাজীপুর মহানগরীর হায়দ্রাবাদ রথখলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ঘোড়া জবাই ও মাংস সরবরাহের অভিযোগে র‍্যাব-১ ও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছে। মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকেল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলা অভিযানে জীবিত ৩৭টি এবং জবাইকৃত ৮টি মোট ৪৫টি ঘোড়া জব্দ করা হয়। অভিযানের সময় কারখানার মালিক শফিকুল ইসলাম (৪৫) ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়।

পুলিশ ও র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, শফিকুল ইসলাম হায়দ্রাবাদ মৌলভী বাড়ির পাশে ভাড়া করা স্থানে দীর্ঘদিন ধরে ঘোড়া কিনে জবাই করতেন এবং রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মাংস সরবরাহ করতেন। র‍্যাব-১-এর এসপি শহিদুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানকালে বিপুলসংখ্যক জীবিত ঘোড়া, জবাই সরঞ্জাম, রক্তাক্ত মেঝে ও মাংস সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, রাতভর জবাইয়ের শব্দ ও দুর্গন্ধে তাদের দৈনন্দিন জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, এটি সম্পূর্ণ অবৈধ ও দণ্ডনীয় কার্যক্রম; শফিকুলকে আগে তিনবার জরিমানা করা হয়েছিল, তবুও সে থামেনি। অভিযানে পালিয়ে যাওয়া শফিকুল ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে, আর জব্দ ঘোড়াগুলো অস্থায়ীভাবে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে।