ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩

আবারও সেই বিরল দৃশ্য: ২০৩০ সালে দুইবার হবে রোজা

মুসলিম বিশ্বের জন্য এক বিরল ও বিস্ময়কর অভিজ্ঞতার বছর হতে যাচ্ছে ২০৩০ সাল। জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং ইসলামী গবেষকদের মতে, সেই বছর ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা একই ইংরেজি বছরে দুইবার রমজান মাস পালন করার সুযোগ পাবেন।

মূলত ইসলামিক চান্দ্র বর্ষপঞ্জি (লুনার ক্যালেন্ডার) এবং ইংরেজি সৌর বর্ষপঞ্জির (গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার) মধ্যকার সময়ের পার্থক্যের কারণেই এই অদ্ভুত ও চমৎকার ঘটনাটি ঘটবে। সাধারণত লুনার ক্যালেন্ডারে বছর হয় ৩৫৪ দিনের, অন্যদিকে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার হয় ৩৬৫ দিনের। এই ১১ দিনের ব্যবধানের কারণে প্রতি ৩০ বছর পর পর ইংরেজি ক্যালেন্ডারের হিসেবে একই বছরে দুইবার রমজান মাস ফিরে আসে।

হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালের ৫ জানুয়ারি প্রথমবার রমজান মাস শুরু হবে। এরপর বছর ঘুরে ওই একই বছরের ২৬ ডিসেম্বর আবারও রমজান মাস শুরু হবে। অর্থাৎ, ২০৩০ সালে সব মিলিয়ে ৩৬ দিন রোজা রাখার সৌভাগ্য হবে মুসলিম উম্মাহর।

এর আগে সর্বশেষ ১৯৯৭ সালে এমন ঘটনা ঘটেছিল। ২০৩০ সালের পর আবারও এই বিরল দৃশ্যের দেখা মিলবে ২০৬৩ সালে।

ট্যাগস :

আনোয়ারায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার “আইনি প্রতিকার চেয়ে” সংবাদ সম্মেলন

আবারও সেই বিরল দৃশ্য: ২০৩০ সালে দুইবার হবে রোজা

আপডেট সময় : ০১:৫৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

মুসলিম বিশ্বের জন্য এক বিরল ও বিস্ময়কর অভিজ্ঞতার বছর হতে যাচ্ছে ২০৩০ সাল। জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং ইসলামী গবেষকদের মতে, সেই বছর ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা একই ইংরেজি বছরে দুইবার রমজান মাস পালন করার সুযোগ পাবেন।

মূলত ইসলামিক চান্দ্র বর্ষপঞ্জি (লুনার ক্যালেন্ডার) এবং ইংরেজি সৌর বর্ষপঞ্জির (গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার) মধ্যকার সময়ের পার্থক্যের কারণেই এই অদ্ভুত ও চমৎকার ঘটনাটি ঘটবে। সাধারণত লুনার ক্যালেন্ডারে বছর হয় ৩৫৪ দিনের, অন্যদিকে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার হয় ৩৬৫ দিনের। এই ১১ দিনের ব্যবধানের কারণে প্রতি ৩০ বছর পর পর ইংরেজি ক্যালেন্ডারের হিসেবে একই বছরে দুইবার রমজান মাস ফিরে আসে।

হিসাব অনুযায়ী, ২০৩০ সালের ৫ জানুয়ারি প্রথমবার রমজান মাস শুরু হবে। এরপর বছর ঘুরে ওই একই বছরের ২৬ ডিসেম্বর আবারও রমজান মাস শুরু হবে। অর্থাৎ, ২০৩০ সালে সব মিলিয়ে ৩৬ দিন রোজা রাখার সৌভাগ্য হবে মুসলিম উম্মাহর।

এর আগে সর্বশেষ ১৯৯৭ সালে এমন ঘটনা ঘটেছিল। ২০৩০ সালের পর আবারও এই বিরল দৃশ্যের দেখা মিলবে ২০৬৩ সালে।