ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত ট্রাম্প প্রশাসনের কূটনৈতিক উদ্যোগের পথে

ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে গোপন কূটনৈতিক উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাশিয়ান কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক এবং ইউক্রেনের নিরাপত্তা ও ইউরোপের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো সমাধান করা।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পেশাল অ্যাটর্নি স্টিভ উইটকফ এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি সরাসরি রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, যাতে সংঘাতের সম্ভাব্য সমাধান তৈরি করা যায়।

প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় ২৮টি ধারা রয়েছে, যা ইউক্রেনে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ইউরোপের বিস্তৃত নিরাপত্তা বিষয়গুলো সমাধান করতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়া ও ইউক্রেনের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্কের রূপরেখা নির্ধারণ করতে সাহায্য করবে।

যদিও বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য এখনও গোপন রাখা হয়েছে, তবে গোপনীয়তার প্রকৃতি নির্দেশ করে এটি একটি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তি জিওপলিটিকাল পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ প্রভাবিত করতে পারে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত ট্রাম্প প্রশাসনের কূটনৈতিক উদ্যোগের পথে

আপডেট সময় : ০২:১১:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে গোপন কূটনৈতিক উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাশিয়ান কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন বৈঠক এবং ইউক্রেনের নিরাপত্তা ও ইউরোপের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো সমাধান করা।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্পেশাল অ্যাটর্নি স্টিভ উইটকফ এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি সরাসরি রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, যাতে সংঘাতের সম্ভাব্য সমাধান তৈরি করা যায়।

প্রস্তাবিত পরিকল্পনায় ২৮টি ধারা রয়েছে, যা ইউক্রেনে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ইউরোপের বিস্তৃত নিরাপত্তা বিষয়গুলো সমাধান করতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়া ও ইউক্রেনের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্কের রূপরেখা নির্ধারণ করতে সাহায্য করবে।

যদিও বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য এখনও গোপন রাখা হয়েছে, তবে গোপনীয়তার প্রকৃতি নির্দেশ করে এটি একটি উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই চুক্তি জিওপলিটিকাল পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে এবং যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ প্রভাবিত করতে পারে।