ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

সুদানে এক মাসে ২৩ শিশুর মৃত্যু, অপুষ্টি ও সংঘাত দায়ী

সুদানে সামরিক বাহিনী ও আধাসামরিক গোষ্ঠীর মধ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাতে শুধু এক মাসে ২৩ শিশু মারা গেছে, এমন তথ্য জানিয়েছে একটি মেডিকেল গ্রুপ। খবরটি প্রকাশ করেছে আরব নিউজ।

গ্রুপটির বরাতে জানা যায়, সুদানের কর্দোফান অঞ্চলে শিশুদের মৃত্যুর মূল কারণ অপুষ্টি। ৩০ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই সংঘাত ও এর সঙ্গে যুক্ত দুর্ভিক্ষ দেশটিতে মানবিক বিপর্যয়ের চিত্রকে আরও স্পষ্ট করেছে।

২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়, যখন সামরিক বাহিনী ও শক্তিশালী আধাসামরিক র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে লড়াইয়ে পরিণত হয়, যা রাজধানী খার্তুম ও অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘাতে ৪০,০০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, তবে সহায়তা সংগঠনগুলো মনে করছে প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে।

এ পর্যন্ত বিশ্বের বৃহত্তম মানবিক সংকটের মুখোমুখি হয়ে সুদানের ১ কোটি ৪০ লাখের বেশি মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন। সংঘাতের কারণে রোগপ্রাদুর্ভাব বেড়েছে এবং কিছু অঞ্চলকে দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক ক্ষুধা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কর্দোফান ও পশ্চিমাঞ্চলীয় দারফুরে প্রায় ৩৭০,০০০ মানুষ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছেন। এছাড়া আরও প্রায় ৩৬ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের এক ধাপ দূরে অবস্থান করছে।

শিশুদের মৃত্যুর জন্য প্রধানত তীব্র অপুষ্টি এবং সরবরাহের ঘাটতি দায়ী।

সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক জানায়, ২০ অক্টোবর থেকে ২০ নভেম্বরের মধ্যে অবরুদ্ধ কাদুগলি ও ডিলিং শহরে শিশুদের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

সুদানে এক মাসে ২৩ শিশুর মৃত্যু, অপুষ্টি ও সংঘাত দায়ী

আপডেট সময় : ১১:৫৪:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

সুদানে সামরিক বাহিনী ও আধাসামরিক গোষ্ঠীর মধ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাতে শুধু এক মাসে ২৩ শিশু মারা গেছে, এমন তথ্য জানিয়েছে একটি মেডিকেল গ্রুপ। খবরটি প্রকাশ করেছে আরব নিউজ।

গ্রুপটির বরাতে জানা যায়, সুদানের কর্দোফান অঞ্চলে শিশুদের মৃত্যুর মূল কারণ অপুষ্টি। ৩০ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই সংঘাত ও এর সঙ্গে যুক্ত দুর্ভিক্ষ দেশটিতে মানবিক বিপর্যয়ের চিত্রকে আরও স্পষ্ট করেছে।

২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়, যখন সামরিক বাহিনী ও শক্তিশালী আধাসামরিক র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে লড়াইয়ে পরিণত হয়, যা রাজধানী খার্তুম ও অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘাতে ৪০,০০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, তবে সহায়তা সংগঠনগুলো মনে করছে প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে।

এ পর্যন্ত বিশ্বের বৃহত্তম মানবিক সংকটের মুখোমুখি হয়ে সুদানের ১ কোটি ৪০ লাখের বেশি মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন। সংঘাতের কারণে রোগপ্রাদুর্ভাব বেড়েছে এবং কিছু অঞ্চলকে দুর্ভিক্ষের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক ক্ষুধা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কর্দোফান ও পশ্চিমাঞ্চলীয় দারফুরে প্রায় ৩৭০,০০০ মানুষ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছেন। এছাড়া আরও প্রায় ৩৬ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের এক ধাপ দূরে অবস্থান করছে।

শিশুদের মৃত্যুর জন্য প্রধানত তীব্র অপুষ্টি এবং সরবরাহের ঘাটতি দায়ী।

সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক জানায়, ২০ অক্টোবর থেকে ২০ নভেম্বরের মধ্যে অবরুদ্ধ কাদুগলি ও ডিলিং শহরে শিশুদের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।