
সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রায় ১৪ লাখ বাংলাদেশির স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসকের সংখ্যা মাত্র ২৬৩ জন—এ বাস্তবতায় প্রবাসীদের চিকিৎসা সুবিধার সংকট ও পেশাজীবীদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।২৩ নভেম্বর রবিবার আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাস অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ সেমিনারের বিষয় ছিল “আমিরাতে বাংলাদেশি চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য পেশাদারদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ”।
এ উপলক্ষে স্বাস্থ্য খাতের ডাটা ও চিত্র উপস্থাপনা করেন এনএমসি হাসপাতাল ইউএই’র সার্জন ডা. মুস্তাফিজুর রহমান খান। সেমিনারে আমিরাতে কর্মরত ডাক্তার, ফার্মাসিস্ট, হেলথ টেকনোলজিস্টসহ বিভিন্ন পেশাজীবী অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ। আরও উপস্থিত ছিলেন কনসুলেট জেনারেল দুবাইয়ের কনসাল জেনারেল রাশেদুজ্জামান, দূতাবাস কর্মকর্তা শাহনাজ পারভীন রানো, এশিয়ান হেলথ কেয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান ও এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতালের এমডি ডা. সালাউদ্দিন আলী, ডা. মিসবাহ, ডা. ইফ্তিখার, ডা. রিফাতসহ অন্যান্য পেশাজীবী।
রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য পেশাজীবীরা প্রবাসীদের স্বাস্থ্যসেবায় বিদ্যমান বাস্তব সমস্যাগুলো তুলে ধরেন। আলোচনায় উঠে আসে—
ভিসা জটিলতা দ্রুত নিরসনের প্রয়োজন, প্রবাসীদের ভাষাগত অদক্ষতা,অধিক ব্যয়ের ভয়ে চিকিৎসা নিতে অনীহা,স্বদেশি ও সাশ্রয়ী ওষুধের অপ্রাপ্তি; বিদেশি ওষুধের অতিরিক্ত দাম, কমদামি স্বাস্থ্য বিমায় মানসম্মত চিকিৎসা না পাওয়া, মেডিকেল, ক্লিনিক, ফার্মেসীসহ স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশিদের বিনিয়োগে অনাগ্রহ
,দক্ষ জনশক্তির সংকট,সার্টিফিকেট জালিয়াতি, প্রতারণা ও অপরাধ প্রবণতা,আমিরাতের আইন-কানুন সম্পর্কে অজ্ঞানতা বা অবহেলা
,নিজের মানসিকতা পরিবর্তনে অনাগ্রহের কারণে ভিসা ও অন্যান্য জটিলতায় পড়া।
বক্তারা বলেন, আমিরাতে বাংলাদেশি স্বাস্থ্য পেশাজীবীদের সম্ভাবনা বিরাট হলেও কাঠামোগত বাধা, দক্ষতার ঘাটতি ও প্রবাসীদের অর্থনৈতিক-সামাজিক সীমাবদ্ধতা দূর করতে সরকার, কমিউনিটি ও প্রবাসী পেশাজীবীদের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।
প্রতিনিধির নাম 






















