ঢাকা ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

দুর্নীতির অভিযোগে এনবিআরের ১৭ কর্মকর্তার সম্পদ জ’ব্দ ও বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চাইবে দু’দ’ক

বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ১৭ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কর ও শুল্ক ফাঁকিতে সহায়তা করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাদের সম্পদ জব্দ ও বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হবে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের সম্পদের উৎস যাচাইয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন দফতরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অনুসন্ধানে পাওয়া প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে এই ১৭ কর্মকর্তাকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

তালিকায় রয়েছেন—
আয়কর নীতি বিভাগের সদস্য মো. লুৎফুল আজিম ও কে এম বদিউল আলম, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (সিআইসি) এ মো. আলমগীর হোসেন, যুগ্ম কমিশনার মো. তারিক হাসান, অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুণ্ডু, কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার কাজী মো. জিয়াউদ্দিন, রেলওয়ে কাস্টমসের কমিশনার মো. কামরুজ্জামান, বৃহৎ করদাতা ইউনিট (ভ্যাট)–এর অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুর রশিদ মিয়া, কর অঞ্চল–১৬ এর উপ কর কমিশনার মোহাম্মদ শিহাবুল ইসলাম এবং কর অঞ্চল–৮ এর অতিরিক্ত কর কমিশনার মির্জা আশিক রানা।

এছাড়া বিসিএস কর একাডেমির যুগ্ম কর কমিশনার মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দিন খান, কর অঞ্চল–১৬ এর উপ কর কমিশনার মোনালিসা শাহরিন সুস্মিতা, নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (ভ্যাট)–এর অতিরিক্ত কমিশনার হাসান তারেক রিকাবদার, অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ মামুন মিয়া, গোয়েন্দা ইউনিটের অতিরিক্ত কমিশনার সাহেলা সিদ্দিক, কর আপিল ট্রাইব্যুনালের কমিশনার লোকমান আহমেদ এবং কর অঞ্চল–৩ এর কমিশনার এম এম ফজলুল হকও রয়েছেন তালিকায়।

গত ১৯ আগস্ট এই কর্মকর্তাদের সম্পদ বিবরণী চায় দুদক। পরবর্তী তথ্যানুসন্ধানে অবৈধ সম্পদের প্রাথমিক সত্যতা মেলায় জব্দ ও নিষেধাজ্ঞার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সংস্থাটি।

চলতি বছরের জুনে এনবিআরকে দুই ভাগ করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ‘সংস্কার ঐক্য পরিষদ’ ব্যানারে আন্দোলন শুরু করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এক সপ্তাহের কলম বিরতি, অবস্থান কর্মসূচি ও দুই দিনের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’র মধ্যে থাকা অবস্থায় আন্দোলনরত ১৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন চিন্ময় ব্রহ্মচারী

দুর্নীতির অভিযোগে এনবিআরের ১৭ কর্মকর্তার সম্পদ জ’ব্দ ও বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চাইবে দু’দ’ক

আপডেট সময় : ০২:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ১৭ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কর ও শুল্ক ফাঁকিতে সহায়তা করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাদের সম্পদ জব্দ ও বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হবে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের সম্পদের উৎস যাচাইয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন দফতরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। অনুসন্ধানে পাওয়া প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে এই ১৭ কর্মকর্তাকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

তালিকায় রয়েছেন—
আয়কর নীতি বিভাগের সদস্য মো. লুৎফুল আজিম ও কে এম বদিউল আলম, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক (সিআইসি) এ মো. আলমগীর হোসেন, যুগ্ম কমিশনার মো. তারিক হাসান, অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুণ্ডু, কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার কাজী মো. জিয়াউদ্দিন, রেলওয়ে কাস্টমসের কমিশনার মো. কামরুজ্জামান, বৃহৎ করদাতা ইউনিট (ভ্যাট)–এর অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুর রশিদ মিয়া, কর অঞ্চল–১৬ এর উপ কর কমিশনার মোহাম্মদ শিহাবুল ইসলাম এবং কর অঞ্চল–৮ এর অতিরিক্ত কর কমিশনার মির্জা আশিক রানা।

এছাড়া বিসিএস কর একাডেমির যুগ্ম কর কমিশনার মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দিন খান, কর অঞ্চল–১৬ এর উপ কর কমিশনার মোনালিসা শাহরিন সুস্মিতা, নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (ভ্যাট)–এর অতিরিক্ত কমিশনার হাসান তারেক রিকাবদার, অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ মামুন মিয়া, গোয়েন্দা ইউনিটের অতিরিক্ত কমিশনার সাহেলা সিদ্দিক, কর আপিল ট্রাইব্যুনালের কমিশনার লোকমান আহমেদ এবং কর অঞ্চল–৩ এর কমিশনার এম এম ফজলুল হকও রয়েছেন তালিকায়।

গত ১৯ আগস্ট এই কর্মকর্তাদের সম্পদ বিবরণী চায় দুদক। পরবর্তী তথ্যানুসন্ধানে অবৈধ সম্পদের প্রাথমিক সত্যতা মেলায় জব্দ ও নিষেধাজ্ঞার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সংস্থাটি।

চলতি বছরের জুনে এনবিআরকে দুই ভাগ করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ‘সংস্কার ঐক্য পরিষদ’ ব্যানারে আন্দোলন শুরু করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এক সপ্তাহের কলম বিরতি, অবস্থান কর্মসূচি ও দুই দিনের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’র মধ্যে থাকা অবস্থায় আন্দোলনরত ১৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।