
শ্রীলঙ্কা উপকূল ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে কমপক্ষে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, আর অন্তত ২১ জন নিখোঁজ রয়েছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করা হয়েছে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সকাল ৬টায় ঘূর্ণিঝড়টি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১,৮৮০ কিমি, কক্সবাজার থেকে ১,৮৩০ কিমি, মোংলা থেকে ১,৭৫০ কিমি এবং পায়রা থেকে ১,৭৫৫ কিমি দূরে অবস্থান করছিল।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি আরও উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিমি এলাকা পর্যন্ত বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিমি, যা দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিমি পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে। কেন্দ্রের নিকটবর্তী সমুদ্র অত্যন্ত উত্তাল রয়েছে।
সংস্থাটি মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে গভীর সাগরে না যাওয়ার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করেছে এবং সব নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) দ্বীপদেশটির ওপর দিয়ে বয়ে যায়। এতে অন্তত ৫৬ জন নিহত এবং ২১ জন নিখোঁজ হয়েছেন। দেশটির আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঝোড়ো হাওয়ার তাণ্ডব এখনো চলছে এবং কিছু এলাকায় ৩০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টি হয়েছে।
ডেক্স নিউজ/নিউজ টুডে 















