ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

আইএসপিআর প্রধানের চোখ মারা নিয়ে পাকিস্তানে তুমুল বিতর্ক

পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ অধিদপ্তরের (আইএসপিআর) প্রধান মেজর জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরীর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। গত মঙ্গলবার রাওয়ালপিন্ডিতে আইএসপিআরের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জিও নিউজ উর্দুর সাংবাদিক আবসা কোমালের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটে।

ভিডিওটিতে দেখা যায়— আবসা কোমাল ইমরান খানকে ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি’, ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ এবং ‘দিল্লির হাতের পুতুল’ আখ্যা দেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে জিজ্ঞেস করেন, আগের অভিযোগগুলোর সঙ্গে এসব মন্তব্য কতটা ভিন্ন, এবং ভবিষ্যতে আরও অভিযোগ কি যুক্ত হতে পারে। জবাবে আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, “আপনি চাইলে একটি চতুর্থ পয়েন্টও যোগ করতে পারেন— তিনি একজন মানসিক রোগী।” কথাটি বলেই তিনি হেসে কোমালের দিকে চোখ টিপে ইঙ্গিত করেন।

এই মুহূর্তটিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। নেটিজেনদের অনেকে মন্তব্য করেছেন— ক্যামেরার সামনে এমন আচরণ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অবমাননা এবং সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্বের ঘাটতি প্রকাশ করে। কেউ বলেছেন, “এটাই প্রমাণ করে দেশের প্রকৃত অবস্থা।” আবার কেউ প্রশ্ন তুলেছেন— “ইউনিফর্ম পরে এমন আচরণ কীভাবে একটি পেশাদার বাহিনীর কর্মকর্তার মানানসই হয়?”

ঘটনাটি পাকিস্তানে সামরিক আচরণ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ে নতুন করে বিতর্ককে উসকে দিয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

আইএসপিআর প্রধানের চোখ মারা নিয়ে পাকিস্তানে তুমুল বিতর্ক

আপডেট সময় : ০৫:২৩:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ অধিদপ্তরের (আইএসপিআর) প্রধান মেজর জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরীর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। গত মঙ্গলবার রাওয়ালপিন্ডিতে আইএসপিআরের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জিও নিউজ উর্দুর সাংবাদিক আবসা কোমালের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটে।

ভিডিওটিতে দেখা যায়— আবসা কোমাল ইমরান খানকে ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি’, ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ এবং ‘দিল্লির হাতের পুতুল’ আখ্যা দেওয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে জিজ্ঞেস করেন, আগের অভিযোগগুলোর সঙ্গে এসব মন্তব্য কতটা ভিন্ন, এবং ভবিষ্যতে আরও অভিযোগ কি যুক্ত হতে পারে। জবাবে আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, “আপনি চাইলে একটি চতুর্থ পয়েন্টও যোগ করতে পারেন— তিনি একজন মানসিক রোগী।” কথাটি বলেই তিনি হেসে কোমালের দিকে চোখ টিপে ইঙ্গিত করেন।

এই মুহূর্তটিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। নেটিজেনদের অনেকে মন্তব্য করেছেন— ক্যামেরার সামনে এমন আচরণ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অবমাননা এবং সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্বের ঘাটতি প্রকাশ করে। কেউ বলেছেন, “এটাই প্রমাণ করে দেশের প্রকৃত অবস্থা।” আবার কেউ প্রশ্ন তুলেছেন— “ইউনিফর্ম পরে এমন আচরণ কীভাবে একটি পেশাদার বাহিনীর কর্মকর্তার মানানসই হয়?”

ঘটনাটি পাকিস্তানে সামরিক আচরণ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ে নতুন করে বিতর্ককে উসকে দিয়েছে।