
দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিতভাবে ক্রীড়া, সহপাঠ্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। অধিদপ্তরের উপপরিচালক প্রফেসর মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল সোমবার এ নির্দেশনার কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আওতায় ফুটবল, ভলিবল, দাবা, ক্রিকেট ও দৌড় প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে হবে। সহপাঠ্য কার্যক্রমের মধ্যে থাকবে বাংলা ও ইংরেজি বক্তৃতা, উপস্থিত বক্তৃতা, বিতর্ক, কুইজ এবং দেয়ালিকা তৈরি। এছাড়া সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কোরআন তিলাওয়াত, হামদ, নাত, নজরুল সংগীত, রবীন্দ্র সংগীত, লোকগীতি, একক অভিনয়, নৃত্য ও গ্রাফিতি অঙ্কন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম একাডেমিক শিক্ষার পরিপূরক হিসেবে শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ কার্যক্রম জানুয়ারি মাস থেকে শুরু হয়ে সারা বছর চলমান থাকবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে চারটি হাউজভিত্তিক পদ্ধতিতে নির্ধারিত ক্লাস রুটিনের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।
এ ছাড়া প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বয়েজ স্কাউট, রোভার স্কাউট, গার্ল গাইডস, বিজ্ঞান ক্লাব, বিতর্ক ক্লাব, স্বাস্থ্য ও শারীরিক শিক্ষা ক্লাবসহ বিভিন্ন ক্লাব কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের একাডেমিক কার্যক্রমের সঙ্গে সমন্বয় করে সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের একটি বার্ষিক ক্যালেন্ডার আগামী ২৭ নভেম্বরের মধ্যে প্রণয়ন করতে হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের শারীরিক শিক্ষা বিভাগ এসব সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম তদারকি ও মনিটরিং করবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।নো হয়, ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আওতায় ফুটবল, ভলিবল, দাবা, ক্রিকেট ও দৌড় প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে হবে। সহপাঠ্য কার্যক্রমের মধ্যে থাকবে বাংলা ও ইংরেজি বক্তৃতা, উপস্থিত বক্তৃতা, বিতর্ক, কুইজ এবং দেয়ালিকা তৈরি। এছাড়া সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় কোরআন তিলাওয়াত, হামদ, নাত, নজরুল সংগীত, রবীন্দ্র সংগীত, লোকগীতি, একক অভিনয়, নৃত্য ও গ্রাফিতি অঙ্কন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
নিজস্ব নিউজ/নিউজ টুডে 

























