ঢাকা ০৯:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৩০ জনের মরদেহ

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার প্রধান শহর গাজা সিটির ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের ৩০ জন সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী। ২০২৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর ইসরায়েলি বাহিনীর বোমা হামলায় তারা নিহত হয়েছিলেন।

তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির বরাত দিয়ে জানা যায়, নিহত পরিবারটি গাজা সিটির আল রিমাল এলাকায় বসবাস করত। বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, তাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী হামাস-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর থেকে ওই পরিবারের অন্তত ৬০ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। উদ্ধার হওয়া মরদেহ ছাড়াও এখনও আরও ৩০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস যোদ্ধারা ইসরায়েলে হামলা চালানোর পর ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। অভিযানে গাজার আবাসিক এলাকা, হাসপাতাল, স্কুল, দোকানপাট ও আশ্রয়কেন্দ্রে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করা হয়। এতে অসংখ্য মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন, যাদের উদ্ধার করা তখন সম্ভব হয়নি।

২০২৫ সালের অক্টোবর যুদ্ধবিরতির পর ডিসেম্বর থেকে ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকাজ শুরু করে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী। উদ্ধারকাজ শুরুর পর এই প্রথম কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের এত বিপুলসংখ্যক মরদেহ উদ্ধার হলো।

গত দুই বছরে গাজায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৭০ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন আরও এক লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষ। নিহতদের বড় অংশই নারী ও শিশু। এছাড়া যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট শত শত টন ধ্বংসাবশেষ সরানো এখন গাজার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

গাজার ধ্বংসস্তূপে মিলল একই পরিবারের ৩০ জনের মরদেহ

আপডেট সময় : ০৬:১৬:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার প্রধান শহর গাজা সিটির ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের ৩০ জন সদস্যের মরদেহ উদ্ধার করেছে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী। ২০২৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর ইসরায়েলি বাহিনীর বোমা হামলায় তারা নিহত হয়েছিলেন।

তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির বরাত দিয়ে জানা যায়, নিহত পরিবারটি গাজা সিটির আল রিমাল এলাকায় বসবাস করত। বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, তাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী হামাস-ইসরায়েল সংঘাত শুরুর পর থেকে ওই পরিবারের অন্তত ৬০ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। উদ্ধার হওয়া মরদেহ ছাড়াও এখনও আরও ৩০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাস যোদ্ধারা ইসরায়েলে হামলা চালানোর পর ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। অভিযানে গাজার আবাসিক এলাকা, হাসপাতাল, স্কুল, দোকানপাট ও আশ্রয়কেন্দ্রে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করা হয়। এতে অসংখ্য মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন, যাদের উদ্ধার করা তখন সম্ভব হয়নি।

২০২৫ সালের অক্টোবর যুদ্ধবিরতির পর ডিসেম্বর থেকে ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকাজ শুরু করে গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী। উদ্ধারকাজ শুরুর পর এই প্রথম কোনো ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের এত বিপুলসংখ্যক মরদেহ উদ্ধার হলো।

গত দুই বছরে গাজায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৭০ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি এবং আহত হয়েছেন আরও এক লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষ। নিহতদের বড় অংশই নারী ও শিশু। এছাড়া যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট শত শত টন ধ্বংসাবশেষ সরানো এখন গাজার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।