ঢাকা ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

হাদীর বিপ্লবী চেতনা ধারণ করে বাংলাদেশকে জয়ী করাই প্রকৃত শ্রদ্ধাঞ্জলি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী বিপ্লবের উজ্জ্বল প্রতীক। হাদীর বিপ্লব দেশরক্ষার বিপ্লব। দেশের অনিয়ম দুর্নীতি দূর করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার নব-বিপ্লব। হাদী শরীরের রক্তের প্রতিটি কণায় কি পরিমাণ বিপ্লবী চেতনা বহন করতো তা হাদীর কথায় স্পষ্ট বোঝা যেতো। হাদীর কণ্ঠে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা আবৃত্তির সেই দৃশ্য যারা দেখেছেন-শুনেছেন, তারা নিশ্চয় কিছুটা হলেও অনুধাবন করতে পেরেছেন হাদীর তেজোদ্বীপ্ত বিপ্লবী চেতনার কী তেজ।

বিপ্লবী হাদীকে হত্যার ছক কষা হয়েছিল হয়তো অনেক আগেই। বিপ্লবীদের হত্যার মধ্য দিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করতে চায়-এটা সচেতন মানুষ মাত্রই বুঝেন। কোটি টাকার লেনদেনও নেপথ্যে হয়েছে বলে ইতোমধ্যেই পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে। সেই বিপ্লবী হাদী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পৃথিবীর সমস্ত বিপ্লব থেকে তিনি বিদায় নিয়ে চলে গেছেন মহান আল্লাহর জিম্মায়। সেই হাদীকে কফিনে করে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশে আনা হয়েছে। আর শনিবার জানাজার পর হাদী শায়িত হবেন।

হয়তো হাদীর শরীর বাংলার জমিনে থাকবে না। কিন্তু হাদীর বিপ্লবী চেতনা অবশ্যই বাংলাদেশের যুব সমাজ ধারণ করবে। -এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। হাদী আল্লাহর জিম্মায় গেছেন-এই বাস্তবতা মেনে নিয়ে হাদীর বিপ্লবী চেতনা ধারণ করে বাংলাদেশের কল্যাণকর কাজে নিজকে নিয়োজিত রাখাই হবে হাদীর চেতনাধারণ। কিন্তু হাদীর চেনতার পরিপন্থি কাজ করে নিজদের হাদীর মতো বিপ্লবী দাবি করা নিশ্চয় কল্যাণকর কিছু হবে না।

হাদীর মৃত্যু সংবাদ জানিয়ে অন্তবর্তীকালীন সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে দেশবাসীকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে শনিবার রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশে যা দেখা গেল, তা কি হাদীর বিপ্লবী চেতনার অংশ হতে পারে? সচেতন মানুষ মাত্রই বলবেন, ‘না। এটা হাদীর বিপ্লবী চেতনার অংশ নয়।’
হাদী কি কখনো ভারতের জনগণের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন? -হাদীর বক্তব্য ভালোভাবে অনুধাবন করলে বুঝতে পারবেন -তিনি আধিপত্যবাদী ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। যদি প্রতিবেশী হিসেবে সম্মানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখে ভারত, তাহলে আপত্তি নেই। কিন্তু ‘দাদাগিরি’ করলেই প্রতিবাদের কথা বলেছেন হাদী। আবার ভারতের জনগণের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ সেই কথা হাদীই বলে গেছেন।

কিন্তু বাস্তবে হলো কী? ভারত বিরোধিতা করতে গিয়ে দেশে আগুন জ্বালানো হলো। রাতের অন্ধকারে হামলা হলো। এর মাধ্যমে কি প্রধান উপদেষ্টার অনুরোধ উপেক্ষা করা হলো না? আবার গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে আগুন দেয়া হলো। প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টার বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমের মধ্যে অন্যতম। হাদীর মৃত্যু সংবাদ শোনার পরপরই দলবদ্ধ হয়ে ওই দুই প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হলো। সেখানে কর্মরত সাংবাদিকদের মৃত্যুমুখে ঠেলে দেয়া হলো। যদিও শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্র তাদের উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। কেন এই হামলা? কার স্বার্থে? রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ধ্বংস করা কি হাদীর বিপ্লবী চেতনার অংশ? কখনোই নয়।

তাহলে ওরা কারা? যারা হাদীর বিপ্লবী চেতনার নাম নিয়ে বাস্তবে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করছে? তারা কি বাংলাদেশের মঙ্গল চায়? এমন প্রশ্নের উত্তর কী?

বাংলাদেশের সচেতন মানুষ মাত্রই জানেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন নসাৎ করার জন্য দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র হচ্ছে। নির্বাচন বন্ধ করা হলে ষড়যন্ত্রকারীরা জিতে যাবে। হেরে যাবে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে হেরে যাবে জুলাই আন্দোলনের মূল স্পিরিট। এখন নির্বাচন নসাৎ চেষ্টাকারীদের জয়ী করতে কারা মাঠে নেমেছে? কেন নেমেছে? তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী? বাংলাদেশ হারিয়ে দেয়া? নাকি ষড়যন্ত্রকারীদের জয়ী করা?

হাদী তো বাংলাদেশকে জয়ী করতে চেয়েছিলেন। ষড়যন্ত্রকারীদের হারিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। ফলে নির্বাচনের আগে প্রার্থী হাদীকে জীবন দিতে হয়েছে। যারা হাদীর জীবন প্রদীপ নিভিয়েছে। তারা ষড়যন্ত্রকারীদের অংশ। আর যারা হাদীর বিপ্লবী চেতনার পরিপন্থি কাজ করছেন- তারা কার অংশ হবেন? কেউ কি বলবেন? হাদীর চেতনা সারাদেশে ছড়িয়েছে এটা যেমন সত্য। তেমনি সত্য হাদীর চেতনার নামধারণ করে একদল মানুষ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। নির্বাচন বানচালে ষড়যন্ত্রকারীদের অংশ হয়ে বাংলাদেশকে ধ্বংসের কিনারায় নিয়ে যাচ্ছেন।

আচ্ছা, দেশে অশান্তি বিরাজ করলে, নির্বাচন বানচাল হলে -সাধারণ মানুষের কি লাভ হবে? বরং ষড়যন্ত্রকারীরা জয়ী হবে। ষড়যন্ত্রকারীদের জয়ী করা তো কখনোই হাদীর বিপ্লবী চেতনা নয়। বাংলাদেশকে জয়ী করা-ই ছিল হাদীর বিপ্লবী চেতনা। সেই চেতনা ধারণ করে বাংলাদেশকে জয়ী করতে এই মুহূর্তে ধৈর্য্য করে সবাইকে শান্তিপূর্ণ অবস্থান করা, হাদীর আত্মার শান্তি কামনায় মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা-ই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

সেই কাজ না করে বাংলাদেশকে যারা পরাজিত করতে চায় তাদের বা ষড়যন্ত্রকারীদের লক্ষ্য পূরণে ‘ঘি ঢালার’ আয়োজন করা হবে আত্মঘাতী। যা এখন দেশের কিছু মানুষের কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে। কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের ক্ষমতালিপ্সুতার বলী হোক বাংলাদেশ এটা কখনোই কারো কাম্য হতে পারে না। বরং ক্ষমতালিপ্সু রাজনৈতিক দল কিংবা ব্যক্তি যারাই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে, তাদের হারিয়ে বাংলাদেশকে জয়ী করা-ই হবে হাদীর বিপ্লবী চেতনার জয়।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

হাদীর বিপ্লবী চেতনা ধারণ করে বাংলাদেশকে জয়ী করাই প্রকৃত শ্রদ্ধাঞ্জলি

আপডেট সময় : ০৯:১১:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদী বিপ্লবের উজ্জ্বল প্রতীক। হাদীর বিপ্লব দেশরক্ষার বিপ্লব। দেশের অনিয়ম দুর্নীতি দূর করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার নব-বিপ্লব। হাদী শরীরের রক্তের প্রতিটি কণায় কি পরিমাণ বিপ্লবী চেতনা বহন করতো তা হাদীর কথায় স্পষ্ট বোঝা যেতো। হাদীর কণ্ঠে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতা আবৃত্তির সেই দৃশ্য যারা দেখেছেন-শুনেছেন, তারা নিশ্চয় কিছুটা হলেও অনুধাবন করতে পেরেছেন হাদীর তেজোদ্বীপ্ত বিপ্লবী চেতনার কী তেজ।

বিপ্লবী হাদীকে হত্যার ছক কষা হয়েছিল হয়তো অনেক আগেই। বিপ্লবীদের হত্যার মধ্য দিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করতে চায়-এটা সচেতন মানুষ মাত্রই বুঝেন। কোটি টাকার লেনদেনও নেপথ্যে হয়েছে বলে ইতোমধ্যেই পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে। সেই বিপ্লবী হাদী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পৃথিবীর সমস্ত বিপ্লব থেকে তিনি বিদায় নিয়ে চলে গেছেন মহান আল্লাহর জিম্মায়। সেই হাদীকে কফিনে করে শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশে আনা হয়েছে। আর শনিবার জানাজার পর হাদী শায়িত হবেন।

হয়তো হাদীর শরীর বাংলার জমিনে থাকবে না। কিন্তু হাদীর বিপ্লবী চেতনা অবশ্যই বাংলাদেশের যুব সমাজ ধারণ করবে। -এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। হাদী আল্লাহর জিম্মায় গেছেন-এই বাস্তবতা মেনে নিয়ে হাদীর বিপ্লবী চেতনা ধারণ করে বাংলাদেশের কল্যাণকর কাজে নিজকে নিয়োজিত রাখাই হবে হাদীর চেতনাধারণ। কিন্তু হাদীর চেনতার পরিপন্থি কাজ করে নিজদের হাদীর মতো বিপ্লবী দাবি করা নিশ্চয় কল্যাণকর কিছু হবে না।

হাদীর মৃত্যু সংবাদ জানিয়ে অন্তবর্তীকালীন সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে দেশবাসীকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে শনিবার রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশে যা দেখা গেল, তা কি হাদীর বিপ্লবী চেতনার অংশ হতে পারে? সচেতন মানুষ মাত্রই বলবেন, ‘না। এটা হাদীর বিপ্লবী চেতনার অংশ নয়।’
হাদী কি কখনো ভারতের জনগণের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন? -হাদীর বক্তব্য ভালোভাবে অনুধাবন করলে বুঝতে পারবেন -তিনি আধিপত্যবাদী ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। যদি প্রতিবেশী হিসেবে সম্মানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখে ভারত, তাহলে আপত্তি নেই। কিন্তু ‘দাদাগিরি’ করলেই প্রতিবাদের কথা বলেছেন হাদী। আবার ভারতের জনগণের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ সেই কথা হাদীই বলে গেছেন।

কিন্তু বাস্তবে হলো কী? ভারত বিরোধিতা করতে গিয়ে দেশে আগুন জ্বালানো হলো। রাতের অন্ধকারে হামলা হলো। এর মাধ্যমে কি প্রধান উপদেষ্টার অনুরোধ উপেক্ষা করা হলো না? আবার গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে আগুন দেয়া হলো। প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টার বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমের মধ্যে অন্যতম। হাদীর মৃত্যু সংবাদ শোনার পরপরই দলবদ্ধ হয়ে ওই দুই প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হলো। সেখানে কর্মরত সাংবাদিকদের মৃত্যুমুখে ঠেলে দেয়া হলো। যদিও শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্র তাদের উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। কেন এই হামলা? কার স্বার্থে? রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ ধ্বংস করা কি হাদীর বিপ্লবী চেতনার অংশ? কখনোই নয়।

তাহলে ওরা কারা? যারা হাদীর বিপ্লবী চেতনার নাম নিয়ে বাস্তবে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করছে? তারা কি বাংলাদেশের মঙ্গল চায়? এমন প্রশ্নের উত্তর কী?

বাংলাদেশের সচেতন মানুষ মাত্রই জানেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন নসাৎ করার জন্য দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র হচ্ছে। নির্বাচন বন্ধ করা হলে ষড়যন্ত্রকারীরা জিতে যাবে। হেরে যাবে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে হেরে যাবে জুলাই আন্দোলনের মূল স্পিরিট। এখন নির্বাচন নসাৎ চেষ্টাকারীদের জয়ী করতে কারা মাঠে নেমেছে? কেন নেমেছে? তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী? বাংলাদেশ হারিয়ে দেয়া? নাকি ষড়যন্ত্রকারীদের জয়ী করা?

হাদী তো বাংলাদেশকে জয়ী করতে চেয়েছিলেন। ষড়যন্ত্রকারীদের হারিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। ফলে নির্বাচনের আগে প্রার্থী হাদীকে জীবন দিতে হয়েছে। যারা হাদীর জীবন প্রদীপ নিভিয়েছে। তারা ষড়যন্ত্রকারীদের অংশ। আর যারা হাদীর বিপ্লবী চেতনার পরিপন্থি কাজ করছেন- তারা কার অংশ হবেন? কেউ কি বলবেন? হাদীর চেতনা সারাদেশে ছড়িয়েছে এটা যেমন সত্য। তেমনি সত্য হাদীর চেতনার নামধারণ করে একদল মানুষ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। নির্বাচন বানচালে ষড়যন্ত্রকারীদের অংশ হয়ে বাংলাদেশকে ধ্বংসের কিনারায় নিয়ে যাচ্ছেন।

আচ্ছা, দেশে অশান্তি বিরাজ করলে, নির্বাচন বানচাল হলে -সাধারণ মানুষের কি লাভ হবে? বরং ষড়যন্ত্রকারীরা জয়ী হবে। ষড়যন্ত্রকারীদের জয়ী করা তো কখনোই হাদীর বিপ্লবী চেতনা নয়। বাংলাদেশকে জয়ী করা-ই ছিল হাদীর বিপ্লবী চেতনা। সেই চেতনা ধারণ করে বাংলাদেশকে জয়ী করতে এই মুহূর্তে ধৈর্য্য করে সবাইকে শান্তিপূর্ণ অবস্থান করা, হাদীর আত্মার শান্তি কামনায় মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা-ই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

সেই কাজ না করে বাংলাদেশকে যারা পরাজিত করতে চায় তাদের বা ষড়যন্ত্রকারীদের লক্ষ্য পূরণে ‘ঘি ঢালার’ আয়োজন করা হবে আত্মঘাতী। যা এখন দেশের কিছু মানুষের কর্মকাণ্ডে দেখা যাচ্ছে। কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের ক্ষমতালিপ্সুতার বলী হোক বাংলাদেশ এটা কখনোই কারো কাম্য হতে পারে না। বরং ক্ষমতালিপ্সু রাজনৈতিক দল কিংবা ব্যক্তি যারাই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে, তাদের হারিয়ে বাংলাদেশকে জয়ী করা-ই হবে হাদীর বিপ্লবী চেতনার জয়।’