ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

সুদানে ড্রোন হামলায় শহীদ ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় শহীদ ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৫ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে মরদেহগুলো ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ঘাঁটিতে বর্বরোচিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলার ঘটনায় এই ছয় শান্তিরক্ষী শাহাদাৎ বরণ করেন।

বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম। এ সময় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রতিনিধি, ইউনিসেফ মিশনের প্রতিনিধি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, ঊর্ধ্বতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মরদেহ গ্রহণের সময় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং সব সামরিক সদস্য শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে স্যালুট প্রদান করেন। আইএসপিআর আরও জানায়, রোববার (২১ ডিসেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে হেলিকপ্টারে করে শহীদদের নিজ নিজ এলাকায় পাঠিয়ে যথাযথ সামরিক মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন করা হবে।

উল্লেখ্য, ওই সন্ত্রাসী হামলায় ছয়জন শান্তিরক্ষী শহীদ হওয়ার পাশাপাশি আরও নয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে আটজন কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং বর্তমানে সবাই শঙ্কামুক্ত আছেন।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

সুদানে ড্রোন হামলায় শহীদ ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে

আপডেট সময় : ০৬:১২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় শহীদ ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৫ মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে মরদেহগুলো ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ঘাঁটিতে বর্বরোচিত সন্ত্রাসী ড্রোন হামলার ঘটনায় এই ছয় শান্তিরক্ষী শাহাদাৎ বরণ করেন।

বিমানবন্দরে মরদেহ গ্রহণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম। এ সময় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রতিনিধি, ইউনিসেফ মিশনের প্রতিনিধি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, ঊর্ধ্বতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মরদেহ গ্রহণের সময় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং সব সামরিক সদস্য শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে স্যালুট প্রদান করেন। আইএসপিআর আরও জানায়, রোববার (২১ ডিসেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজে জানাজা শেষে হেলিকপ্টারে করে শহীদদের নিজ নিজ এলাকায় পাঠিয়ে যথাযথ সামরিক মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন করা হবে।

উল্লেখ্য, ওই সন্ত্রাসী হামলায় ছয়জন শান্তিরক্ষী শহীদ হওয়ার পাশাপাশি আরও নয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে আটজন কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত আগা খান ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং বর্তমানে সবাই শঙ্কামুক্ত আছেন।