
চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে যাত্রীবাহী এমভি জাকির সম্রাট-৩ ও অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চের সংঘর্ষের ঘটনায় ৮ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকাল ৮টার আগে বাল্কহেড চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানান বস্ত্র ও পাট এবং নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় নিহতদের দাফনের জন্য প্রত্যেক পরিবারকে দেড় লাখ টাকা করে দেবে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি নদীতে দৃশ্যমানতা (ভিজিবিলিটি) ২০০ মিটারের কম হলে কোনো লঞ্চ চলাচল করতে পারবে না বলেও জানান তিনি।
এদিকে দুর্ঘটনায় জড়িত অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চটিকে আটক করেছে ঝালকাঠি জেলা পুলিশ। শুক্রবার সকালে ঝালকাঠি লঞ্চঘাট থেকে লঞ্চটি আটক করা হয়। এ সময় লঞ্চে থাকা চারজন কর্মীকেও আটক করা হয়েছে। ঝালকাঠি জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভায় অংশ নিয়ে ঝালকাঠি বিএনপির নেতাকর্মীদের একটি অংশ অ্যাডভেঞ্চার-৯ লঞ্চে করে ঝালকাঠি ফিরছিলেন। অপরদিকে ভোলার ঘোষেরহাট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা অভিমুখী এমভি জাকির সম্রাট-৩ লঞ্চটি বৃহস্পতিবার রাত দুইটার পর চাঁদপুরের হাইমচর এলাকা অতিক্রম করছিল।
এ সময় নদীতে ঘন কুয়াশা থাকায় দুই লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দিনগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে হাইমচর উপজেলা ও হরিণা এলাকার মাঝামাঝি স্থানে।
উল্লেখ্য, ঘন কুয়াশার মধ্যে সংঘটিত এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ জনে। আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে।
নিজস্ব নিউজ/নিউজ টুডে 

























