ঢাকা ০৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে চট্টগ্রাম-৯ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আইনি জটিলতায় চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি–বাকলিয়া) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. এ কে এম ফজলুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জিয়াউদ্দীন যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ডা. ফজলুল হক তার হলফনামায় নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক নাগরিক হিসেবে দাবি করে গত ২৮ ডিসেম্বর নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে বাছাইয়ের সময় এর সপক্ষে কোনো দাপ্তরিক সনদ বা বৈধ প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারায় তার আবেদনটি বাতিল হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত নাগরিকত্ব ত্যাগের চূড়ান্ত নথি দাখিল করা বাধ্যতামূলক; কেবল আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়া নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয় না।

বাছাইয়ের সময় ডা. এ কে এম ফজলুল হক দাবি করেন, তার নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহের চেষ্টা করছেন তিনি। রিটার্নিং কর্মকর্তার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করার ঘোষণা দিয়ে বলেন, “আমি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছি এবং আশা করি আপিলে ন্যায়বিচার পাব।”

এদিকে একই আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রার্থীর হলফনামা ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত ডা. ফজলুল হকের প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় এই আসনে জামায়াতের অংশগ্রহণ এখন নির্বাচন কমিশনের আপিল রায়ের ওপর নির্ভর করছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে চট্টগ্রাম-৯ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

আপডেট সময় : ০১:১৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আইনি জটিলতায় চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি–বাকলিয়া) আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. এ কে এম ফজলুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। রোববার (৪ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জিয়াউদ্দীন যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ডা. ফজলুল হক তার হলফনামায় নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক নাগরিক হিসেবে দাবি করে গত ২৮ ডিসেম্বর নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে বাছাইয়ের সময় এর সপক্ষে কোনো দাপ্তরিক সনদ বা বৈধ প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারায় তার আবেদনটি বাতিল হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার কর্তৃক ইস্যুকৃত নাগরিকত্ব ত্যাগের চূড়ান্ত নথি দাখিল করা বাধ্যতামূলক; কেবল আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়া নাগরিকত্ব ত্যাগের প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয় না।

বাছাইয়ের সময় ডা. এ কে এম ফজলুল হক দাবি করেন, তার নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহের চেষ্টা করছেন তিনি। রিটার্নিং কর্মকর্তার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করার ঘোষণা দিয়ে বলেন, “আমি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছি এবং আশা করি আপিলে ন্যায়বিচার পাব।”

এদিকে একই আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রার্থীর হলফনামা ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত ডা. ফজলুল হকের প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় এই আসনে জামায়াতের অংশগ্রহণ এখন নির্বাচন কমিশনের আপিল রায়ের ওপর নির্ভর করছে।