ঢাকা ০৩:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

অস্ত্র উদ্ধার ছাড়া নির্বাচন সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন: রিটে আইনজীবী

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন থানা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যালয় থেকে লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

আজ বুধবার জনস্বার্থে এই পিটিশনটি দাখিল করেন আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের বিবাদী করা হয়েছে।রিটে তথ্য দেওয়া হয় যে, গণঅভ্যুত্থানের উত্তাল সময়ে সারা দেশে প্রায় ৫ হাজার ৭৫০টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৬ লাখ ৫১ হাজার ৬০৯ রাউন্ড গোলাবারুদ লুণ্ঠিত হয়েছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, সরকারের পুরস্কার ঘোষণার পরেও অস্ত্রের একটি বড় অংশ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আবেদনকারীর মতে, এই বিপুল পরিমাণ মারণাস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে থাকায় নির্বাচন চলাকালে সাধারণ ভোটার ও প্রার্থীদের জীবন চরম ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

পিটিশনে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী শরীফ উসমান হাদির গুলিতে নিহতের ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন রক্তক্ষয়ী হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। আইনজীবী মাহমুদুল হাসান যুক্তি দেন যে, প্রার্থীরা গানম্যান পেলেও সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়নি। এমতাবস্থায় অস্ত্র উদ্ধার ছাড়া নির্বাচন আয়োজন করা হলে তা সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মানুষের ‘জীবনের অধিকার’-এর পরিপন্থী হবে। রিটে জননিরাপত্তা এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ভোট গ্রহণ স্থগিত রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ত্র উদ্ধার ছাড়া নির্বাচন সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন: রিটে আইনজীবী

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন থানা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যালয় থেকে লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

আজ বুধবার জনস্বার্থে এই পিটিশনটি দাখিল করেন আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান। রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের বিবাদী করা হয়েছে।রিটে তথ্য দেওয়া হয় যে, গণঅভ্যুত্থানের উত্তাল সময়ে সারা দেশে প্রায় ৫ হাজার ৭৫০টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৬ লাখ ৫১ হাজার ৬০৯ রাউন্ড গোলাবারুদ লুণ্ঠিত হয়েছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, সরকারের পুরস্কার ঘোষণার পরেও অস্ত্রের একটি বড় অংশ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আবেদনকারীর মতে, এই বিপুল পরিমাণ মারণাস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে থাকায় নির্বাচন চলাকালে সাধারণ ভোটার ও প্রার্থীদের জীবন চরম ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

পিটিশনে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী শরীফ উসমান হাদির গুলিতে নিহতের ঘটনাটি প্রমাণ করে যে, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন রক্তক্ষয়ী হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে। আইনজীবী মাহমুদুল হাসান যুক্তি দেন যে, প্রার্থীরা গানম্যান পেলেও সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়নি। এমতাবস্থায় অস্ত্র উদ্ধার ছাড়া নির্বাচন আয়োজন করা হলে তা সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মানুষের ‘জীবনের অধিকার’-এর পরিপন্থী হবে। রিটে জননিরাপত্তা এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ভোট গ্রহণ স্থগিত রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।