ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূমি ও আকাশসীমা দেবে না সৌদি আরব

মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের উত্তেজনার মাঝে ইরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে এক অভাবনীয় অবস্থান নিয়েছে সৌদি আরব। রিয়াদ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক অভিযানে সৌদি আরবের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে না।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি, ২০২৬) সৌদি সরকারের ঘনিষ্ঠ দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা এএফপি ও ডেইলি সাবাহ এই খবর প্রকাশ করেছে।

মূলত ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে তেহরানের কঠোর পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে এমন সতর্কবার্তার পরই সৌদি আরব এই অবস্থান স্পষ্ট করল। রিয়াদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তেহরানকে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এদিকে ইরানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তাদের ওপর নতুন কোনো হামলা হলে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও নৌ-সম্পদের ওপর কঠোর আঘাত হানবে।

সৌদি সামরিক বাহিনীর ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, দেশটি কোনোভাবেই এই সামরিক সংঘাতের অংশ হতে চায় না। আঞ্চলিক রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও সৌদি আরবের এই কঠোর অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের যে ধারা শুরু হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত তারই একটি বড় প্রতিফলন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এড়াতে এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সৌদি আরব এই কৌশলী অবস্থান নিয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় ভূমি ও আকাশসীমা দেবে না সৌদি আরব

আপডেট সময় : ০৪:০৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের উত্তেজনার মাঝে ইরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে এক অভাবনীয় অবস্থান নিয়েছে সৌদি আরব। রিয়াদ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সামরিক অভিযানে সৌদি আরবের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে না।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি, ২০২৬) সৌদি সরকারের ঘনিষ্ঠ দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা এএফপি ও ডেইলি সাবাহ এই খবর প্রকাশ করেছে।

মূলত ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে তেহরানের কঠোর পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে এমন সতর্কবার্তার পরই সৌদি আরব এই অবস্থান স্পষ্ট করল। রিয়াদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তেহরানকে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এদিকে ইরানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, তাদের ওপর নতুন কোনো হামলা হলে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও নৌ-সম্পদের ওপর কঠোর আঘাত হানবে।

সৌদি সামরিক বাহিনীর ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, দেশটি কোনোভাবেই এই সামরিক সংঘাতের অংশ হতে চায় না। আঞ্চলিক রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও সৌদি আরবের এই কঠোর অবস্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের যে ধারা শুরু হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত তারই একটি বড় প্রতিফলন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এড়াতে এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সৌদি আরব এই কৌশলী অবস্থান নিয়েছে।