ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

সিরিয়ায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কামিশলিতে ড্রোন হামলা

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলী হাসাকাহ প্রদেশের কামিশলি শহরে চার দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণার একদিন পরই ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) স্থানীয় সূত্রের বরাতে শাফাক নিউজ জানায়, যুদ্ধবিরতি চললেও কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) দুটি অবস্থানে এই হামলা চালানো হয়। প্রথম হামলাটি এসডিএফের ‘অপারেশনস ফোর্সেস’ ব্যবহৃত একটি স্থাপনায় এবং দ্বিতীয়টি ‘আসায়েশ’ নামক অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর একটি অবস্থানে আঘাত হানে। নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ধারণা, ড্রোনগুলো তুরস্কের হতে পারে। তবে সৌভাগ্যবশত অপারেশনস ফোর্সেসের স্থাপনাটি আগে থেকেই খালি থাকায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, কেবল অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ১০ মিনিটের ব্যবধানে কামিশলি শহরে দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং আকাশে ড্রোনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এই হামলার পর সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ও সেনা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, গত মঙ্গলবারই সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এসডিএফের সাথে চার দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিল, যা এসডিএফও মেনে চলার অঙ্গীকার করে। একই সময়ে হাসাকাহ প্রদেশের প্রশাসনিক ও সামরিক সমন্বয়ের জন্য সিরীয় প্রেসিডেন্সি একটি রূপরেখা প্রকাশ করে, যেখানে কুর্দি গ্রামগুলোর নিরাপত্তা স্থানীয় বাহিনীর হাতে রাখা এবং নির্দিষ্ট এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন না করার কথা বলা হয়েছে। এই সমঝোতা প্রক্রিয়ার মাঝেই আকস্মিক এই ড্রোন হামলা অঞ্চলটিতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইউসিটিসিতে “OBE for Academic Excellence” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সিরিয়ায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কামিশলিতে ড্রোন হামলা

আপডেট সময় : ০৪:১০:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলী হাসাকাহ প্রদেশের কামিশলি শহরে চার দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণার একদিন পরই ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) স্থানীয় সূত্রের বরাতে শাফাক নিউজ জানায়, যুদ্ধবিরতি চললেও কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) দুটি অবস্থানে এই হামলা চালানো হয়। প্রথম হামলাটি এসডিএফের ‘অপারেশনস ফোর্সেস’ ব্যবহৃত একটি স্থাপনায় এবং দ্বিতীয়টি ‘আসায়েশ’ নামক অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর একটি অবস্থানে আঘাত হানে। নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ধারণা, ড্রোনগুলো তুরস্কের হতে পারে। তবে সৌভাগ্যবশত অপারেশনস ফোর্সেসের স্থাপনাটি আগে থেকেই খালি থাকায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, কেবল অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ১০ মিনিটের ব্যবধানে কামিশলি শহরে দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় এবং আকাশে ড্রোনের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এই হামলার পর সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ও সেনা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য যে, গত মঙ্গলবারই সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এসডিএফের সাথে চার দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিল, যা এসডিএফও মেনে চলার অঙ্গীকার করে। একই সময়ে হাসাকাহ প্রদেশের প্রশাসনিক ও সামরিক সমন্বয়ের জন্য সিরীয় প্রেসিডেন্সি একটি রূপরেখা প্রকাশ করে, যেখানে কুর্দি গ্রামগুলোর নিরাপত্তা স্থানীয় বাহিনীর হাতে রাখা এবং নির্দিষ্ট এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন না করার কথা বলা হয়েছে। এই সমঝোতা প্রক্রিয়ার মাঝেই আকস্মিক এই ড্রোন হামলা অঞ্চলটিতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।