
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই সনদের ওপর গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতিকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘ।
এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ইতোমধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ ও জোরদার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। গত মঙ্গলবার জাতিসংঘের সদর দপ্তরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মহাসচিবের উপমুখপাত্র ফারহান হক বাংলাদেশের এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনের জন্য এমন একটি অনুকূল পরিবেশ প্রয়োজন যেখানে প্রতিটি নাগরিক কোনো বাধা ছাড়াই স্বাধীনভাবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারেন এবং নির্ভয়ে নিজের মত প্রকাশ করতে পারেন। অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচন ও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রাখার বিষয়ে জাতিসংঘের পূর্ণ সমর্থন ও উৎসাহ রয়েছে বলেও জানানো হয়।
এদিকে, এই দ্বৈত নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণের জন্য ১৪ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে কমনওয়েলথ। ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট এইচ ই নানা আকুফো-আদোর নেতৃত্বে এই দলে কমনওয়েলথভুক্ত বিভিন্ন দেশের রাজনীতি, আইন, গণমাধ্যম এবং নির্বাচন ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞরা থাকবেন। কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েটের একটি বিশেষ দলও তাদের এই কাজে সহায়তা করবে।
কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দল মূলত বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অবস্থান মূল্যায়ন করবে। মিশন শেষে তারা তাদের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ সম্বলিত একটি প্রতিবেদন কমনওয়েলথ মহাসচিবের কাছে জমা দেবেন, যা পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং সর্বসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হবে। এবারের নির্বাচনে ৫১টি দলের ১৭৩২ জন প্রার্থীর পাশাপাশি ২৪৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ডেস্ক নিউজ/নিউজ টুডে 
























