
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ও ২ নং বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের কলাবাড়িয়া ও ধর্মপুর এলাকাবাসীর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে মাদকবিরোধী প্রতিবাদ সমাবেশ ও আলোচনা সভা।
স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, মাদক বর্তমানে সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।মাদক যেন ছাড়ছেই না কোমলমতি শিশুদেরও।
মাদকের ভয়াল থাবা থেকে নতুন প্রজন্মকে রক্ষা করতে প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।বক্তারা আরও বলেন, মাদক ব্যবসায়ী ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি প্রতিটি এলাকায় সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান তারা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সীতাকুণ্ড মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মহিনুল ইসলাম।বক্তব্যে ওসি মাহিনুল ইসলাম বলেন আমরা ত আর গ্রামের সবাইকে চিনিনা আপনারা চিনেন কে মাদক কারবারি বা কে সেবন করে,আপনারা ধরতে পারলে আমাকে কল দিবেন আমার মোবাইল দিন-রাত ২৪ঘন্টা খোলা,মিসড কল দিলেও কল ব্যাক করবো।
তবে আপনারা ধরে রাখবেন আমরা আসতে হয়তো দু থেকে চার মিনিট লেট হবে,আবার বিভিন্ন গ্রামে অপরিচিত অনেকে ঘুরাফেরা করে সেদিকেও খেয়াল রাখবেন,জিগ্যেস করবেন কোথা থেকে এসেছে হয়তো কারো মেহমান ও হতে পারে এ ধরনের দৃষ্টি রাখতে পারলেই আপনারা সফল।
কামরুল হাসান বাপ্পীর সঞ্চালনায় ও নুর মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বড় দারোগার হাট হয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও সনাতন ধর্ম পরিচালনা কমিটির সভাপতি পলাশ দে। আলম লায়লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নেপাল দে । কলাবাড়িয়া সমাজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জনাব আব্দুল হাই।, ছোটা দারোগার হাট বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও পশ্চিম ধর্মপুর সমাজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ডাক্তার আনোয়ার হোসেন। পূর্ব ধর্মপুর গ্রামের তরুণ সমাজসেবক আলমগীর হোসাইন ছাত্র প্রতিনিধি জিহাদ হোসেন প্রমুখ।
এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সমাবেশে অংশ নেন।বক্তারা মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে অংশগ্রহণকারীরা মাদকমুক্ত সীতাকুণ্ড গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং এ ধরনের গণসচেতনতামূলক কর্মসূচি ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।এলাকাবাসী ও সাধারণ কৃষক দিন মজুরও মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াবে বলে আশ্বাস দেন।
প্রতিনিধির নাম 






















