
ফিশওয়েটি নির্মাণের পর শুরুতে পর্যবেক্ষণ কক্ষের জানালা দিয়ে কর্মীরা মাছ দেখে হাতে হাতে গণনা করতেন। কিন্তু মাছের সংখ্যা বাড়তে থাকায় এই পদ্ধতি ধীরগতির হয়ে পড়ে এবং সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে যায়।
পরে অতীতের ভিডিও ফুটেজ দিয়ে প্রশিক্ষিত এআইভিত্তিক মাছ শনাক্তকরণ ব্যবস্থা চালু করা হয়। সোনার ও অপটিক্যাল প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি এই ব্যবস্থা মাছের প্রজাতি শনাক্ত, সংখ্যা গণনা এবং সাঁতারের ভঙ্গি ও পাখনার বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করতে পারে। এর নির্ভুলতা প্রায় ৯৫ শতাংশ বলে জানানো হয়েছে।
এদিকে ইয়ারলুং সাংপো নদীর নিম্নাঞ্চলে চীন বর্তমানে ৬০ গিগাওয়াট ক্ষমতার একটি বিশাল জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণ করছে। তিব্বতের মেডগ কাউন্টির কাছে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পের সক্ষমতা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎকেন্দ্র থ্রি গর্জেস ড্যামের প্রায় তিন গুণ হবে।
তবে নতুন এই প্রকল্পটি নিয়ে পরিবেশগত উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে নদীর নিম্নপ্রবাহে ভারতের অরুণাচলসহ বিভিন্ন অঞ্চল এবং বাংলাদেশে এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ভারতে ইয়ারলুং সাংপো নদীটি ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত।
প্রতিনিধির নাম 




























