শিশুটির অভিভাবক ও কেবিন ক্রুরা দীর্ঘ সময় চেষ্টা করেও তাকে সিটে বসাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার কারণে বিমানটি উড্ডয়ন না করেই রানওয়ে থেকে টার্মিনালে ফিরিয়ে আনতে বাধ্য হন পাইলট।

যেভাবে থমকে গেল উড্ডয়ন
এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার বিমানটি টার্মিনাল ছেড়ে রানওয়ের দিকে যাওয়ার সময় কেবিন ক্রুরা দেখতে পান, এক শিশু তার আসনের ওপর দাঁড়িয়ে আছে এবং সিটবেল্ট বাঁধতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে।
বিমান চলাচলের নিরাপত্তাবিধি অনুযায়ী, উড্ডয়নের সময় যাত্রীদের সিটে বসে সিটবেল্ট বাঁধা থাকা জরুরি। তাই শিশুটিকে নিরাপদ অবস্থায় না বসানো পর্যন্ত বিমান উড্ডয়ন করা সম্ভব ছিল না।
পরিস্থিতি বিবেচনায় পাইলট রানওয়ে থেকে বিমানটি ঘুরিয়ে আবার টার্মিনালে নিয়ে আসেন।
শিশুর জেদে বাতিল পুরো ফ্লাইট
টার্মিনালে ফেরার পর শিশুটির পরিবারকে বিমান থেকে নামানো হয়। এরপর তাদের লাগেজ খুঁজে বের করা এবং নতুন করে উড্ডয়নের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে সময় লেগে যায়।
ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েন বিমানের অন্য যাত্রীরা। এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় যাত্রীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে এবং পরদিন রাতে নির্ধারিত বিকল্প ফ্লাইটে তাদের টরন্টো পাঠানোর ব্যবস্থা করে।
শিশুদের নিরাপত্তায় সিটবেল্ট কেন গুরুত্বপূর্ণ
বিমানযাত্রায় শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। উড্ডয়ন ও অবতরণের সময় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্লাইট চলাকালেও শিশুদের নির্ধারিত আসনে নিরাপদে রাখা এবং সিটবেল্ট ব্যবহারের নিয়ম মেনে চলতে হয়।
এই ঘটনাতেও শিশুটিকে সিটে বসিয়ে নিরাপদভাবে বেল্ট পরানো সম্ভব না হওয়ায় পাইলট উড্ডয়ন না করার সিদ্ধান্ত নেন।
প্রতিনিধির নাম 

























