ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
নির্জন এলাকায় জুয়ার আসর বসানোর অভিযোগ, আগেও রয়েছে দুই মামলা

ইপিজেডে ‘পেশাদার জুয়াড়ি’ ওসমান গণি গ্রেপ্তার

 সাঈদুল রহমান সাকিব :  চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড এলাকায় একের পর এক জুয়ার আসর বসানোর অভিযোগে মো. ওসমান গণি (২৭) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, এলাকায় জুয়া পরিচালনার নেপথ্যে সক্রিয় এই ব্যক্তি প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন দুর্গম ও নির্জন স্থানে জুয়ার আসর বসাতেন। তার বিরুদ্ধে জুয়া খেলা ও আয়োজনের অভিযোগে আগেও দুটি মামলা রয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ওসমান গণি হাটহাজারী উপজেলার ফতেপুর এলাকার মো. মনির হোসেনের ছেলে। বর্তমানে তিনি আকমল আলী রোড এলাকায় বসবাস করেন।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আকমল আলী এলাকায় অভিযান চালানো হয়। উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) এর নির্দেশনায় বন্দর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাজহারুল ইসলাম ও ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ আতিকুর রহমান বিপিএমের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। এতে এসআই (নিঃ) মো. সহিদুল ইসলাম অংশ নেন।

পুলিশের ভাষ্য, ওসমান গণি এলাকায় একজন ‘পেশাদার জুয়াড়ি’ হিসেবে পরিচিত। ইপিজেড থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় জুয়ার আসর বসানোর ক্ষেত্রে তার প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। প্রশাসনের নজর এড়াতে নির্জন ও দুর্গম স্থানে জুয়ার ঘর তৈরি করে সেখানে টাকার বিনিময়ে জুয়া খেলার ব্যবস্থা করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

শুধু জুয়ার আসর বসানোই নয়, জুয়াড়িদের সেখানে জড়ো করা, তাদের নিরাপদ পরিবেশ দেওয়া, জুয়া খেলতে উৎসাহিত করা এবং আয়োজন পরিচালনায় সহায়তা করার অভিযোগও রয়েছে ওসমান গণির বিরুদ্ধে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জুয়া খেলা ও আয়োজনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ ইপিজেড থানায় ‘দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭’-এর ৩/৪ ধারায় এবং ২০২৫ সালের ৯ জুন একই আইনের ৪ ধারায় মামলা হয়।

সর্বশেষ গ্রেপ্তারের ঘটনায় ১২ সেপ্টেম্বর ইপিজেড থানায় জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর ১৫/১৮/২৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ওসমান গণিকে বিধি অনুযায়ী আদালতে সোপর্দ করা হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইপিজেডে ‘পেশাদার জুয়াড়ি’ ওসমান গণি গ্রেপ্তার

নির্জন এলাকায় জুয়ার আসর বসানোর অভিযোগ, আগেও রয়েছে দুই মামলা

ইপিজেডে ‘পেশাদার জুয়াড়ি’ ওসমান গণি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০১:৫৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 সাঈদুল রহমান সাকিব :  চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড এলাকায় একের পর এক জুয়ার আসর বসানোর অভিযোগে মো. ওসমান গণি (২৭) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, এলাকায় জুয়া পরিচালনার নেপথ্যে সক্রিয় এই ব্যক্তি প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন দুর্গম ও নির্জন স্থানে জুয়ার আসর বসাতেন। তার বিরুদ্ধে জুয়া খেলা ও আয়োজনের অভিযোগে আগেও দুটি মামলা রয়েছে।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ওসমান গণি হাটহাজারী উপজেলার ফতেপুর এলাকার মো. মনির হোসেনের ছেলে। বর্তমানে তিনি আকমল আলী রোড এলাকায় বসবাস করেন।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আকমল আলী এলাকায় অভিযান চালানো হয়। উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) এর নির্দেশনায় বন্দর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাজহারুল ইসলাম ও ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ আতিকুর রহমান বিপিএমের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। এতে এসআই (নিঃ) মো. সহিদুল ইসলাম অংশ নেন।

পুলিশের ভাষ্য, ওসমান গণি এলাকায় একজন ‘পেশাদার জুয়াড়ি’ হিসেবে পরিচিত। ইপিজেড থানাধীন বিভিন্ন এলাকায় জুয়ার আসর বসানোর ক্ষেত্রে তার প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। প্রশাসনের নজর এড়াতে নির্জন ও দুর্গম স্থানে জুয়ার ঘর তৈরি করে সেখানে টাকার বিনিময়ে জুয়া খেলার ব্যবস্থা করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

শুধু জুয়ার আসর বসানোই নয়, জুয়াড়িদের সেখানে জড়ো করা, তাদের নিরাপদ পরিবেশ দেওয়া, জুয়া খেলতে উৎসাহিত করা এবং আয়োজন পরিচালনায় সহায়তা করার অভিযোগও রয়েছে ওসমান গণির বিরুদ্ধে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জুয়া খেলা ও আয়োজনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই দুটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ ইপিজেড থানায় ‘দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭’-এর ৩/৪ ধারায় এবং ২০২৫ সালের ৯ জুন একই আইনের ৪ ধারায় মামলা হয়।

সর্বশেষ গ্রেপ্তারের ঘটনায় ১২ সেপ্টেম্বর ইপিজেড থানায় জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬-এর ১৫/১৮/২৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ওসমান গণিকে বিধি অনুযায়ী আদালতে সোপর্দ করা হবে।