ঢাকা ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ পাস, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সব মা/ম/লা বাতিল

২০১৮ সালের বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় দায়ের করা সব মা/ম/লা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। একই সঙ্গে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ সহ আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ অনুমোদন পেয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান,

“২০১৮ সালের ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের অধীনে হওয়া সব মামলা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে ওই আইনে যারা সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন কিংবা মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন, তারা সবাই মুক্তি পেলেন।”

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ছাড়াও উপদেষ্টা পরিষদ আরো দুটি নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে, এই নতুন অধ্যাদেশগুলো নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য ও উপাত্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন আইন ও অধ্যাদেশগুলোর মাধ্যমে দেশের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও মানবাধিকার সম্মত করে তোলা হবে। একই সঙ্গে নাগরিকদের গোপনীয়তা ও তথ্য অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেপারওয়েট ছোড়া সেই বিচারকের অপসারণের দাবিতে আইনজীবীরা

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ পাস, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সব মা/ম/লা বাতিল

আপডেট সময় : ০৬:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

২০১৮ সালের বিতর্কিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় দায়ের করা সব মা/ম/লা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। একই সঙ্গে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ সহ আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ অনুমোদন পেয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান,

“২০১৮ সালের ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনের অধীনে হওয়া সব মামলা বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে ওই আইনে যারা সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন কিংবা মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন, তারা সবাই মুক্তি পেলেন।”

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ছাড়াও উপদেষ্টা পরিষদ আরো দুটি নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে, এই নতুন অধ্যাদেশগুলো নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য ও উপাত্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন আইন ও অধ্যাদেশগুলোর মাধ্যমে দেশের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও মানবাধিকার সম্মত করে তোলা হবে। একই সঙ্গে নাগরিকদের গোপনীয়তা ও তথ্য অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।