
সাঈদুল রহমান সাকিব : চট্টগ্রামের ইপিজেড থানাধীন আকমল আলী রোড এলাকার একটি আমবাগানে অভিযান চালিয়ে জুয়ার খেলার আসর থেকে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় জুয়ার বোর্ডের সরঞ্জাম ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে এ অভিযান পরিচালনা করে ইপিজেড থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে জুয়া আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইপিজেড থানার দক্ষিণ হালিশহর আকমল আলী খালপাড় সিডিএ বাজারসংলগ্ন আমবাগান এলাকায় চিহ্নিত জুয়াড়ি ওসমান গণি একটি অস্থায়ী টং ঘর তৈরি করে দীর্ঘদিন ধরে জুয়ার আসর চালিয়ে আসছিল। এমন খবরের ভিত্তিতে ইপিজেড থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে এসআই (নি.) আবু বকর, এসআই (নি.) মো. মামুনুর রশীদ, এসআই (নি.) আব্দুল হালিম, এসআই (নি.) আব্দুল রহিম পাটোয়ারী, এসআই (নি.) আবু সাঈদ চৌধুরী, এসআই (নি.) মো. মিজাজুনি রহমান ও ফোর্সসহ একটি দল সেখানে অভিযান চালায়।
অভিযান টের পেয়ে ৮-১০ জন পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযানে উদ্ধার করা হয় ১৫ প্যাকেট রঙিন তাস এবং জুয়া বোর্ড থেকে নগদ ৩৩ হাজার ৯০০ টাকা।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন— মো. সাদ্দাম (৩৫), বাসু দে (৩৫), আব্দুল মজিদ (৪০), মো. আরিফ (২৮), মো. আনোয়ার হোসেন (৪৬) এবং মো. সাঈদ হোসেন শাকিল (২৬)। তাদের সবার বাড়ি চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা ও নগরীর বিভিন্ন এলাকায়।
পুলিশ জানায়, গত ৩-৪ মাস আগে একই ব্যক্তি আকমল আলী পকেট গেট খালপাড় এলাকায় একটি জুয়ার আসর চালাতেন। সে সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশের একটি টিম যৌথ অভিযান চালিয়ে সেই জুয়ার ঘর গুঁড়িয়ে দেয়। পরবর্তীতে ওসমান গণি পুনরায় গভীর আমবাগানে গোপনে নতুন করে টং ঘর নির্মাণ করে জুয়া চালিয়ে আসছিল।
এ ঘটনায় পলাতক জুয়াড়ি ওসমান গণি ও অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে ইপিজেড থানায় জুয়া আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সাঈদুল রহমান সাকিব 
















