ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২

সাগরে ভাগ্য খুলল জেলেদের, এক ট্রলারে ২০০ মণ ইলিশ

বঙ্গোপসাগরে এক টানে ২০০ মণ ইলিশ ধরে বরগুনার পাথরঘাটার বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে এসেছে একটি ট্রলার। সোমবার (১৭ নভেম্বর) কুয়াকাটা উপকূল থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে এসব মাছ ধরা পড়ে।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকালে সাইফ ফিশ নামের আড়তে মাছগুলো তোলা হলে প্রতি মণ ২৬ হাজার টাকা দরে ২০০ মণ ইলিশ ৫২ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।

তথ্য অনুযায়ী, এফবি রাইসা নামের ট্রলারটি ১৪ নভেম্বর পাথরঘাটা থেকে ১৭ জন জেলেকে নিয়ে গভীর সমুদ্রে ফিশিংয়ে যায়। প্রথম দিকে তিন–চার দিনে মাত্র ৪০০টি মাছ পাওয়া গেলেও ১৭ নভেম্বর বিকেলে জাল ফেলতে গিয়ে এক টানেই প্রায় ১৮ হাজার ইলিশ ধরা পড়ে। মাছগুলো ৩০০–৪০০ গ্রাম ওজনের ছিল।

ট্রলারের মাঝি মাসুদ বলেন, “অনেক দিন খুব কম মাছ পেয়ে কষ্টে দিন চলছিল। কিন্তু ওই এক টানে এত ইলিশ পেয়ে আমরা সবাই আনন্দিত।”

ট্রলারের মালিক রুবেল জানান, বেশ কিছুদিন ধরে সাগরে মাছ না পাওয়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছিল। এবারের মাছ বিক্রি তাদের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে দেবে।

আড়ৎদার মোস্তফা আলম বলেন, “আমার আড়তেই এসব মাছ বিক্রি হয়েছে। কিছুদিন আগেও আরেকটি ট্রলার থেকে ১৫০ মণ মাছ বিক্রি হয়েছিল। জেলেরা মাছ পাচ্ছে—এটাই সবচেয়ে ভালো খবর।”

বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, দীর্ঘদিন পর বিএফডিসিতে এত বড় চালানের ইলিশ এসেছে। সরকার অবৈধ কাঠের ট্রলার বন্ধে যে ব্যবস্থা নিয়েছে, তার ফলেই জেলেরা আবার বেশি মাছ পাচ্ছেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

এস এ গ্রুপের মালিক শাহাবুদ্দিনের মা, স্ত্রী, ভাই ও সন্তানদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

সাগরে ভাগ্য খুলল জেলেদের, এক ট্রলারে ২০০ মণ ইলিশ

আপডেট সময় : ০৫:০১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

বঙ্গোপসাগরে এক টানে ২০০ মণ ইলিশ ধরে বরগুনার পাথরঘাটার বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে এসেছে একটি ট্রলার। সোমবার (১৭ নভেম্বর) কুয়াকাটা উপকূল থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে এসব মাছ ধরা পড়ে।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকালে সাইফ ফিশ নামের আড়তে মাছগুলো তোলা হলে প্রতি মণ ২৬ হাজার টাকা দরে ২০০ মণ ইলিশ ৫২ লাখ টাকায় বিক্রি হয়।

তথ্য অনুযায়ী, এফবি রাইসা নামের ট্রলারটি ১৪ নভেম্বর পাথরঘাটা থেকে ১৭ জন জেলেকে নিয়ে গভীর সমুদ্রে ফিশিংয়ে যায়। প্রথম দিকে তিন–চার দিনে মাত্র ৪০০টি মাছ পাওয়া গেলেও ১৭ নভেম্বর বিকেলে জাল ফেলতে গিয়ে এক টানেই প্রায় ১৮ হাজার ইলিশ ধরা পড়ে। মাছগুলো ৩০০–৪০০ গ্রাম ওজনের ছিল।

ট্রলারের মাঝি মাসুদ বলেন, “অনেক দিন খুব কম মাছ পেয়ে কষ্টে দিন চলছিল। কিন্তু ওই এক টানে এত ইলিশ পেয়ে আমরা সবাই আনন্দিত।”

ট্রলারের মালিক রুবেল জানান, বেশ কিছুদিন ধরে সাগরে মাছ না পাওয়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছিল। এবারের মাছ বিক্রি তাদের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে দেবে।

আড়ৎদার মোস্তফা আলম বলেন, “আমার আড়তেই এসব মাছ বিক্রি হয়েছে। কিছুদিন আগেও আরেকটি ট্রলার থেকে ১৫০ মণ মাছ বিক্রি হয়েছিল। জেলেরা মাছ পাচ্ছে—এটাই সবচেয়ে ভালো খবর।”

বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, দীর্ঘদিন পর বিএফডিসিতে এত বড় চালানের ইলিশ এসেছে। সরকার অবৈধ কাঠের ট্রলার বন্ধে যে ব্যবস্থা নিয়েছে, তার ফলেই জেলেরা আবার বেশি মাছ পাচ্ছেন।