ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৩ জনের, নতুন আক্রান্ত ৬১৫

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৬১৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। বুধবার (২৬ নভেম্বর) প্রকাশিত দৈনিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ২২৯ জন। রাজধানীর বাইরে ঢাকা বিভাগে ১২৮ জন, চট্টগ্রামে ৮৫ জন, বরিশালে ৭৭ জন, খুলনায় ৩৭ জন, ময়মনসিংহে ৩৪ জন, রাজশাহীতে ২২ জন এবং সিলেট বিভাগে ৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

এ বছর ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু নথিবদ্ধ হয় সেপ্টেম্বর মাসে—৭৬ জন। কিন্তু অক্টোবর মাসে সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৮০ জনে। নভেম্বরে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৯২ জনের। জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩ জন, এপ্রিলে ৭ জন, মে মাসে ৩ জন, জুনে ১৯ জন, জুলাইয়ে ৪১ জন, আর অগাস্টে ৩৯ জন রোগী মারা যান।

সংক্রমণেও মাসজুড়ে ব্যাপক ওঠানামা দেখা গেছে। সেপ্টেম্বর মাসে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল ১৫ হাজার ৮৬৬ জন রোগী, যা বছরের সর্বোচ্চ ছিল। তবে অক্টোবর সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে ২২ হাজার ৫২০ জনে পৌঁছায়। নভেম্বরে এখন পর্যন্ত ভর্তি হয়েছেন ২২ হাজার ৩৫৫ জন।

এ ছাড়া জানুয়ারিতে ভর্তি হয় ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪ জন, মার্চে ৩৩৬ জন, এপ্রিলে ৭০১ জন, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩ জন, জুনে ৫ হাজার ৯৫১ জন, জুলাইয়ে ১০ হাজার ৬৮৪ জন এবং অগাস্টে ১০ হাজার ৪৯৬ জন রোগী।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু সংক্রান্ত ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বছর ছিল ২০২৩। ওই বছর হাসপাতালে ভর্তি হয় ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন, আর মৃত্যু হয়েছিল সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭০৫ জন রোগীর।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৩ জনের, নতুন আক্রান্ত ৬১৫

আপডেট সময় : ০৪:৫৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৬১৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। বুধবার (২৬ নভেম্বর) প্রকাশিত দৈনিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ২২৯ জন। রাজধানীর বাইরে ঢাকা বিভাগে ১২৮ জন, চট্টগ্রামে ৮৫ জন, বরিশালে ৭৭ জন, খুলনায় ৩৭ জন, ময়মনসিংহে ৩৪ জন, রাজশাহীতে ২২ জন এবং সিলেট বিভাগে ৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

এ বছর ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু নথিবদ্ধ হয় সেপ্টেম্বর মাসে—৭৬ জন। কিন্তু অক্টোবর মাসে সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৮০ জনে। নভেম্বরে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৯২ জনের। জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩ জন, এপ্রিলে ৭ জন, মে মাসে ৩ জন, জুনে ১৯ জন, জুলাইয়ে ৪১ জন, আর অগাস্টে ৩৯ জন রোগী মারা যান।

সংক্রমণেও মাসজুড়ে ব্যাপক ওঠানামা দেখা গেছে। সেপ্টেম্বর মাসে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল ১৫ হাজার ৮৬৬ জন রোগী, যা বছরের সর্বোচ্চ ছিল। তবে অক্টোবর সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে ২২ হাজার ৫২০ জনে পৌঁছায়। নভেম্বরে এখন পর্যন্ত ভর্তি হয়েছেন ২২ হাজার ৩৫৫ জন।

এ ছাড়া জানুয়ারিতে ভর্তি হয় ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪ জন, মার্চে ৩৩৬ জন, এপ্রিলে ৭০১ জন, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩ জন, জুনে ৫ হাজার ৯৫১ জন, জুলাইয়ে ১০ হাজার ৬৮৪ জন এবং অগাস্টে ১০ হাজার ৪৯৬ জন রোগী।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু সংক্রান্ত ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বছর ছিল ২০২৩। ওই বছর হাসপাতালে ভর্তি হয় ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন, আর মৃত্যু হয়েছিল সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭০৫ জন রোগীর।