ঢাকা ০৯:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩

ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধবিরতি সম্ভাবনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে

ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি হলে রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা শিথিল হতে পারে, ফলে বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৩ সেন্ট কমে ৬২.৮ ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ৩২ সেন্ট কমে ৫৮.৩৩ ডলার হয়েছে। মার্কিন থ্যাংকসগিভিং ছুটির কারণে লেনদেন তুলনামূলক ধীর ছিল।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতি হলে ওয়ার প্রিমিয়াম কমে যাবে এবং রাশিয়ার তেল সহজে বাজারে আসবে, যা সরবরাহ বহুল বাজারে চাপ বাড়াবে। এ কারণে তেলের দাম মাঝারি মেয়াদে নিচের দিকে ঝুঁকে রয়েছে।

একই সময়ে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ আগামী সপ্তাহে রাশিয়া সফর করবেন সম্ভাব্য শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে। তবে রাশিয়ার শীর্ষ কূটনীতিক জানিয়েছে, মস্কো বড় ধরনের কোনো ছাড় দেবে না।

অন্যদিকে, ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমাতে পারে। সুদের হার কমলে অর্থনীতি চাঙা হয় এবং তেলের চাহিদা বাড়ে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইউসিটিসিতে “OBE for Academic Excellence” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধবিরতি সম্ভাবনায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে

আপডেট সময় : ০৩:১৫:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি হলে রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা শিথিল হতে পারে, ফলে বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৩ সেন্ট কমে ৬২.৮ ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ৩২ সেন্ট কমে ৫৮.৩৩ ডলার হয়েছে। মার্কিন থ্যাংকসগিভিং ছুটির কারণে লেনদেন তুলনামূলক ধীর ছিল।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতি হলে ওয়ার প্রিমিয়াম কমে যাবে এবং রাশিয়ার তেল সহজে বাজারে আসবে, যা সরবরাহ বহুল বাজারে চাপ বাড়াবে। এ কারণে তেলের দাম মাঝারি মেয়াদে নিচের দিকে ঝুঁকে রয়েছে।

একই সময়ে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ আগামী সপ্তাহে রাশিয়া সফর করবেন সম্ভাব্য শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে। তবে রাশিয়ার শীর্ষ কূটনীতিক জানিয়েছে, মস্কো বড় ধরনের কোনো ছাড় দেবে না।

অন্যদিকে, ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমাতে পারে। সুদের হার কমলে অর্থনীতি চাঙা হয় এবং তেলের চাহিদা বাড়ে।