ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩

মোহাম্মদপুরে মা–মেয়েকে হত্যার অভিযোগে গৃহকর্মী আয়েশার বিরুদ্ধে মামলা

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা লায়লা ফিরোজ (৪৮) এবং মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজকে (১৫) হত্যার ঘটনায় গৃহকর্মী আয়েশাকে একমাত্র আসামি করে মামলা হয়েছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে নিহত লায়লার স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, চার দিন আগে আয়েশা খণ্ডকালীন গৃহকর্মী হিসেবে তাদের বাসায় কাজ শুরু করেন। ঘটনার দিন সকালে তিনি কর্মস্থলে যাওয়ার পর বহুবার ফোন করেও স্ত্রী লায়লার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে বাসায় ফিরে দুটি মরদেহ দেখতে পান। প্রথমে স্ত্রীকে গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা জখমসহ মৃত অবস্থায় এবং মেয়েকে গুরুতর আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে নাফিসাকেও মৃত ঘোষণা করা হয়।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে আয়েশা বাসায় প্রবেশ করেন এবং ৯টা ৩৫ মিনিটে মেয়ের একটি মোবাইল, ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে বেরিয়ে যান। এ সময় তিনি স্কুল ড্রেস পরে ও মুখে মাস্ক লাগিয়ে ছিলেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইচ গিয়ার ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার পর আয়েশা বাথরুমে গোসল করে রক্ত পরিষ্কার করেন এবং নাফিসার স্কুল ড্রেস পরে পালিয়ে যান। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এসআই শহিদুল ওসমান মাসুমকে। আসামিকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেপারওয়েট ছোড়া সেই বিচারকের অপসারণের দাবিতে আইনজীবীরা

মোহাম্মদপুরে মা–মেয়েকে হত্যার অভিযোগে গৃহকর্মী আয়েশার বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ০৭:১৫:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা লায়লা ফিরোজ (৪৮) এবং মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজকে (১৫) হত্যার ঘটনায় গৃহকর্মী আয়েশাকে একমাত্র আসামি করে মামলা হয়েছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে নিহত লায়লার স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, চার দিন আগে আয়েশা খণ্ডকালীন গৃহকর্মী হিসেবে তাদের বাসায় কাজ শুরু করেন। ঘটনার দিন সকালে তিনি কর্মস্থলে যাওয়ার পর বহুবার ফোন করেও স্ত্রী লায়লার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে বাসায় ফিরে দুটি মরদেহ দেখতে পান। প্রথমে স্ত্রীকে গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কাটা জখমসহ মৃত অবস্থায় এবং মেয়েকে গুরুতর আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে নাফিসাকেও মৃত ঘোষণা করা হয়।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে আয়েশা বাসায় প্রবেশ করেন এবং ৯টা ৩৫ মিনিটে মেয়ের একটি মোবাইল, ল্যাপটপ, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে বেরিয়ে যান। এ সময় তিনি স্কুল ড্রেস পরে ও মুখে মাস্ক লাগিয়ে ছিলেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি সুইচ গিয়ার ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার পর আয়েশা বাথরুমে গোসল করে রক্ত পরিষ্কার করেন এবং নাফিসার স্কুল ড্রেস পরে পালিয়ে যান। মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এসআই শহিদুল ওসমান মাসুমকে। আসামিকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।