ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

কুয়াশা ও মৃদু শৈত্যপ্রবাহে জবুথবু দেশ, আগামী পাঁচ দিনে তাপমাত্রা আরও কমার আশঙ্কা

দেশের অধিকাংশ এলাকায় কয়েক দিন ধরে ঘন কুয়াশা ও শীতের দাপট অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে দেশের ১৭ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের সই করা ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। অন্যদিকে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস অনুযায়ী, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এ কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, সিলেট, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে কিছু কিছু এলাকায় এটি প্রশমিত হতে পারে। এ সময় রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) থেকে রোববার (৪ জানুয়ারি) পর্যন্ত একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। এ সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ করে নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও তা খুব বেশি অনুভূত নাও হতে পারে।

তবে সোমবার (৫ জানুয়ারি) থেকে রাত ও দিনের তাপমাত্রা আবার কিছুটা কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

কুয়াশা ও মৃদু শৈত্যপ্রবাহে জবুথবু দেশ, আগামী পাঁচ দিনে তাপমাত্রা আরও কমার আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০২:৫৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের অধিকাংশ এলাকায় কয়েক দিন ধরে ঘন কুয়াশা ও শীতের দাপট অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে দেশের ১৭ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের সই করা ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।

পূর্বাভাসে বলা হয়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। অন্যদিকে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস অনুযায়ী, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনেক জায়গায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এ কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, সিলেট, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে কিছু কিছু এলাকায় এটি প্রশমিত হতে পারে। এ সময় রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) থেকে রোববার (৪ জানুয়ারি) পর্যন্ত একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। এ সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ করে নদী অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও তা খুব বেশি অনুভূত নাও হতে পারে।

তবে সোমবার (৫ জানুয়ারি) থেকে রাত ও দিনের তাপমাত্রা আবার কিছুটা কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।