
কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি জানান, ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জে উদ্বোধনের পর আগামী অক্টোবরের শেষ নাগাদ পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের পরিধি বাড়ানো হবে। একসঙ্গে পুরো দেশে এটি চালু করা সম্ভব নয় বলেই ধাপে ধাপে এগোনোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক লক্ষ্য এক কোটি ৬০ লাখ পরিবার হলেও মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহের ওপর ভিত্তি করে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
পরিবারের নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, কার্ডের মাধ্যমে সহায়তার অর্থ সরাসরি পরিবারের গৃহিণী বা নারী সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এতে করে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হওয়ার পাশাপাশি শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবারিক পুষ্টি এবং ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
প্রতিনিধির নাম 



















