ঢাকা ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

সুন্দরবনের কুখ্যাত দস্যু রাঙ্গা বাহিনীর প্রধান রাঙ্গা আটক

ছবি : সংগৃহীত

সুন্দরবনের কুখ্যাত দস্যু রাঙ্গা বাহিনীর প্রধান নজরুল শেখ ওরফে রাঙ্গা অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করেছেন কোস্টগার্ড। রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট খালিদ সাইফুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটক রাঙ্গা (৪৮) বাগেরহাট জেলার রামপালের বাসিন্দা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, রাঙ্গা বাহিনী শিবসা নদীর সংলগ্ন কালাবগি এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে রোববার সকাল ৬টায় কোস্টগার্ড বেইস মোংলা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

আবিষ্কারের সময় ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করলে কোস্টগার্ড ধাওয়া করে তাকে ধরে দুটি একনলা বন্দুক ও ছয় রাউন্ড কার্তুজসহ আটক করে। দীর্ঘদিন ধরে রাঙ্গা বাহিনী সুন্দরবনে ডাকাতি ও চাঁদা আদায় করে আসছিল।

এর আগে, ৩১ জুলাই বাহিনী সুন্দরবনের জঙ্গলবাড়ি ও বনবিবি রিসোর্টে চাঁদার চিঠি পাঠায়। ১২ সেপ্টেম্বর অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বাহিনীর দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং জিম্মি চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

এস এ গ্রুপের মালিক শাহাবুদ্দিনের মা, স্ত্রী, ভাই ও সন্তানদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

সুন্দরবনের কুখ্যাত দস্যু রাঙ্গা বাহিনীর প্রধান রাঙ্গা আটক

আপডেট সময় : ০৩:১২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

সুন্দরবনের কুখ্যাত দস্যু রাঙ্গা বাহিনীর প্রধান নজরুল শেখ ওরফে রাঙ্গা অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করেছেন কোস্টগার্ড। রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট খালিদ সাইফুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটক রাঙ্গা (৪৮) বাগেরহাট জেলার রামপালের বাসিন্দা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, রাঙ্গা বাহিনী শিবসা নদীর সংলগ্ন কালাবগি এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে রোববার সকাল ৬টায় কোস্টগার্ড বেইস মোংলা একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

আবিষ্কারের সময় ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করলে কোস্টগার্ড ধাওয়া করে তাকে ধরে দুটি একনলা বন্দুক ও ছয় রাউন্ড কার্তুজসহ আটক করে। দীর্ঘদিন ধরে রাঙ্গা বাহিনী সুন্দরবনে ডাকাতি ও চাঁদা আদায় করে আসছিল।

এর আগে, ৩১ জুলাই বাহিনী সুন্দরবনের জঙ্গলবাড়ি ও বনবিবি রিসোর্টে চাঁদার চিঠি পাঠায়। ১২ সেপ্টেম্বর অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ বাহিনীর দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং জিম্মি চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়।