ঢাকা ০৭:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

ইস্তাম্বুলে দেখা যেতে পারে মেসিকে, চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেরার সম্ভাবনা

ইন্টার মায়ামির হয়ে দুর্দান্ত এক মৌসুম শেষ করতে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি। এমএলএসে গোলের রাজা হয়েছেন, দলকেও তুলেছেন নতুন উচ্চতায়। তবে ডিসেম্বরেই যুক্তরাষ্ট্রের মৌসুম শেষ হবে, এরপর মার্চ পর্যন্ত মাঠে নামার সুযোগ নেই এই আর্জেন্টাইন তারকার। এই বিরতিকে কাজে লাগাতে চায় এক ইউরোপিয়ান জায়ান্ট তুরস্কের ক্লাব গালাতাসারাই। তারা নাকি স্বল্পমেয়াদি (চার মাসের) লোন চুক্তিতে মেসিকে দলে নিতে আগ্রহী।

স্প্যানিশ দৈনিক Mundo Deportivo–এর সূত্রে তুর্কি সংবাদমাধ্যম Fotomac জানিয়েছে, জানুয়ারির দলবদল মৌসুমে মেসিকে অল্প সময়ের জন্য দলে টানতে চায় গালাতাসারাই। ৩৮ বছর বয়সেও দারুণ ফর্মে আছেন এই কিংবদন্তি  এমএলএসের নিয়মিত মৌসুমে করেছেন ২৯ গোল, যা তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে পাঁচটি বেশি।

ইন্টার মায়ামির মৌসুম এখনো প্লে-অফে চলছে। তবে তাদের অভিযান এখানেই শেষ হলে মার্চ পর্যন্ত ক্লাব পর্যায়ের ম্যাচ পাবেন না মেসি। তাই ইউরোপের কয়েকটি ক্লাব চাইছে, এই সময়টায় তাকে অল্প মেয়াদে দলে ভেড়াতে যেন তিনি ফিটনেস ও ম্যাচ রিদম ধরে রাখতে পারেন, আগামী গ্রীষ্মে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ রক্ষার মিশনের আগে।

গালাতাসারাই নাকি ইতোমধ্যেই এ নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করেছে। ক্লাবটির কর্মকর্তারা “ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন” মেসির পরিস্থিতি। সব কিছু অনুকূলে থাকলে জানুয়ারিতেই চ্যাম্পিয়নস লিগে তুর্কি ক্লাবটির জার্সিতে দেখা যেতে পারে মেসিকে।

তাদের এই স্বপ্ন যে একেবারে অবাস্তব নয়, তার ইঙ্গিত মিলেছে সাম্প্রতিক ট্রান্সফার উইন্ডোতে। ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে গালাতাসারাই দলে টেনেছে ভিক্টর ওসিমেন, লিরয় সানে ও ইলকায় গুন্দোগানের মতো তারকাদের। আর মেসিকে দলে আনতে পারলে সেটি হবে ক্লাবটির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাফল্যগুলোর একটি।

মেসির ক্যারিয়ারে স্বল্পমেয়াদি ইউরোপ ফেরা নতুন কিছু নয়। অতীতে ডেভিড বেকহ্যাম ও জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচও এমএলএস মৌসুমের বিরতিতে ইউরোপে লোনে খেলেছিলেন। তবে মেসির মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে আবারও চ্যাম্পিয়নস লিগে দেখা গেলে তা হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রার ঘটনা।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপই হতে পারে মেসির শেষ আন্তর্জাতিক মঞ্চ। তাই সামনে যা আসছে, তার জন্য যতটা সম্ভব প্রস্তুত থাকতে চান তিনি। এখন দেখার বিষয় মায়ামি থেকে ইস্তাম্বুল পর্যন্ত এই শীতকালীন সফর আদৌ বাস্তবে রূপ নেয় কি না।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

ইস্তাম্বুলে দেখা যেতে পারে মেসিকে, চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেরার সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ০৭:০৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

ইন্টার মায়ামির হয়ে দুর্দান্ত এক মৌসুম শেষ করতে যাচ্ছেন লিওনেল মেসি। এমএলএসে গোলের রাজা হয়েছেন, দলকেও তুলেছেন নতুন উচ্চতায়। তবে ডিসেম্বরেই যুক্তরাষ্ট্রের মৌসুম শেষ হবে, এরপর মার্চ পর্যন্ত মাঠে নামার সুযোগ নেই এই আর্জেন্টাইন তারকার। এই বিরতিকে কাজে লাগাতে চায় এক ইউরোপিয়ান জায়ান্ট তুরস্কের ক্লাব গালাতাসারাই। তারা নাকি স্বল্পমেয়াদি (চার মাসের) লোন চুক্তিতে মেসিকে দলে নিতে আগ্রহী।

স্প্যানিশ দৈনিক Mundo Deportivo–এর সূত্রে তুর্কি সংবাদমাধ্যম Fotomac জানিয়েছে, জানুয়ারির দলবদল মৌসুমে মেসিকে অল্প সময়ের জন্য দলে টানতে চায় গালাতাসারাই। ৩৮ বছর বয়সেও দারুণ ফর্মে আছেন এই কিংবদন্তি  এমএলএসের নিয়মিত মৌসুমে করেছেন ২৯ গোল, যা তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে পাঁচটি বেশি।

ইন্টার মায়ামির মৌসুম এখনো প্লে-অফে চলছে। তবে তাদের অভিযান এখানেই শেষ হলে মার্চ পর্যন্ত ক্লাব পর্যায়ের ম্যাচ পাবেন না মেসি। তাই ইউরোপের কয়েকটি ক্লাব চাইছে, এই সময়টায় তাকে অল্প মেয়াদে দলে ভেড়াতে যেন তিনি ফিটনেস ও ম্যাচ রিদম ধরে রাখতে পারেন, আগামী গ্রীষ্মে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ রক্ষার মিশনের আগে।

গালাতাসারাই নাকি ইতোমধ্যেই এ নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করেছে। ক্লাবটির কর্মকর্তারা “ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন” মেসির পরিস্থিতি। সব কিছু অনুকূলে থাকলে জানুয়ারিতেই চ্যাম্পিয়নস লিগে তুর্কি ক্লাবটির জার্সিতে দেখা যেতে পারে মেসিকে।

তাদের এই স্বপ্ন যে একেবারে অবাস্তব নয়, তার ইঙ্গিত মিলেছে সাম্প্রতিক ট্রান্সফার উইন্ডোতে। ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে গালাতাসারাই দলে টেনেছে ভিক্টর ওসিমেন, লিরয় সানে ও ইলকায় গুন্দোগানের মতো তারকাদের। আর মেসিকে দলে আনতে পারলে সেটি হবে ক্লাবটির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাফল্যগুলোর একটি।

মেসির ক্যারিয়ারে স্বল্পমেয়াদি ইউরোপ ফেরা নতুন কিছু নয়। অতীতে ডেভিড বেকহ্যাম ও জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচও এমএলএস মৌসুমের বিরতিতে ইউরোপে লোনে খেলেছিলেন। তবে মেসির মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে আবারও চ্যাম্পিয়নস লিগে দেখা গেলে তা হবে সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রার ঘটনা।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপই হতে পারে মেসির শেষ আন্তর্জাতিক মঞ্চ। তাই সামনে যা আসছে, তার জন্য যতটা সম্ভব প্রস্তুত থাকতে চান তিনি। এখন দেখার বিষয় মায়ামি থেকে ইস্তাম্বুল পর্যন্ত এই শীতকালীন সফর আদৌ বাস্তবে রূপ নেয় কি না।