
দক্ষিণী চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে একের পর এক নক্ষত্রপতনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মাত্র কয়েক দিন আগে ‘কেজিএফ’ অভিনেতা হরিশ রাইয়ের মৃত্যুতে মর্মাহত ইন্ডাস্ট্রি, তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন অভিনেতা অভিনয়।
সোমবার (১০ নভেম্বর) ভোরে ৪৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, দীর্ঘদিন ধরে লিভারের জটিল রোগে ভুগছিলেন এই অভিনেতা।
অভিনয় তার চিকিৎসার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিলেন। ব্যয়বহুল চিকিৎসা সামাল দিতে না পেরে তিনি অর্থ সংকটে পড়েন। সহকর্মীদের মধ্যে অভিনেতা ধনুষ পাঁচ লাখ রুপি সহায়তা করেছিলেন। অসুস্থ অবস্থায় এক ভিডিও বার্তায় অভিনয় বলেছিলেন, “জানি না, আর কতদিন বাঁচব।” ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় এবং ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।
অবশেষে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
অভিনয় একাই বসবাস করতেন চেন্নাইয়ে। মৃত্যুর পর তার মরদেহ নিজ বাড়িতে রাখা হয়েছে। পরিবারের কেউ না থাকায় দক্ষিণ ভারতের শিল্পী সমিতি ‘নদিগার সঙ্গম’ তার শেষকৃত্যের দায়িত্ব নিয়েছে।
২০০২ সালে ‘থুলুওয়াধো ইলামাঈ’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় অভিনয়ের। এই সিনেমায় তার সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা ধনুষ ও অভিনেত্রী শেরিন। নির্মাতা কস্তুরী রাজার এই ছবিই তাকে পরিচিতি এনে দেয়।
পরে তিনি ‘জংশন’ (২০০২), **‘পন মেঘলাই’ (২০০৫)**সহ বেশ কিছু সিনেমায় পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেন। পাশাপাশি কয়েকটি বিজ্ঞাপনেও কাজ করেছিলেন তিনি।
প্রতিনিধির নাম 






















