ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

ছাতকের দুই গ্রামে তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ, অন্তত ১৫ আহত

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের নানশ্রী ও সিদ্ধারচর গ্রামের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনার জেরে ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের কারণে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

বুধবার সকালে দুই গ্রামের মাঝামাঝি একটি কাঁচা রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নানশ্রী গ্রামের মৃত চমক আলীর ছেলে চান্দালী এবং সিদ্ধারচর গ্রামের মৃত কেরামত আলীর ছেলে আব্দুল হক ও মোস্তাই আহমেদের মধ্যে কথাকাটাকাটি থেকে মূল সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে আহত হয় অন্তত ১৫ জন, যাদের মধ্যে চান্দালী, আব্দুল হক, মোস্তাই আহমেদ, আলী, মোহাম্মদ, রুবেলসহ আরও কয়েকজন রয়েছেন। স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত কৈতক হাসপাতাল ও নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসার পর আহতদের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

সংঘর্ষের পর দুই গ্রামে উত্তেজনা থাকলেও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিরা উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝিই বড় ধরনের সংঘর্ষের কারণ হতে পারে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বর্তমানে এলাকা স্বাভাবিক রয়েছে।

ছাতক থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

ছাতকের দুই গ্রামে তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ, অন্তত ১৫ আহত

আপডেট সময় : ০৩:৫৩:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের নানশ্রী ও সিদ্ধারচর গ্রামের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনার জেরে ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের কারণে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

বুধবার সকালে দুই গ্রামের মাঝামাঝি একটি কাঁচা রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নানশ্রী গ্রামের মৃত চমক আলীর ছেলে চান্দালী এবং সিদ্ধারচর গ্রামের মৃত কেরামত আলীর ছেলে আব্দুল হক ও মোস্তাই আহমেদের মধ্যে কথাকাটাকাটি থেকে মূল সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে আহত হয় অন্তত ১৫ জন, যাদের মধ্যে চান্দালী, আব্দুল হক, মোস্তাই আহমেদ, আলী, মোহাম্মদ, রুবেলসহ আরও কয়েকজন রয়েছেন। স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত কৈতক হাসপাতাল ও নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। প্রাথমিক চিকিৎসার পর আহতদের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

সংঘর্ষের পর দুই গ্রামে উত্তেজনা থাকলেও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিরা উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝিই বড় ধরনের সংঘর্ষের কারণ হতে পারে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বর্তমানে এলাকা স্বাভাবিক রয়েছে।

ছাতক থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান বলেন, “সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”