ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

ফিলিস্তিনে শিশুদের জন্য ৪০ হাজার টিকা প্রদানের পরিকল্পনা ডব্লিউএইচও’র

ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে বৃহত্তর টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনার পরিকল্পনা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থার লক্ষ্য ৪০ হাজারের বেশি শিশুকে হাম, হুপিং কাশি, হেপাটাইটিস বি, যক্ষ্মা ও পোলিওসহ একাধিক রোগের বিরুদ্ধে টিকা দেওয়া।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মাসে তিন বছরের কম বয়সী ১০ হাজারের বেশি শিশুকে প্রথম ধাপে টিকা দেওয়া হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসুস জানিয়েছেন, প্রথম ধাপের মেয়াদ সম্প্রসারণ করে শনিবার পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে সহযোগিতা করবে ইউনিসেফসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা। পুরো কার্যক্রমের তত্ত্বাবধানে থাকবে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ঘেব্রেয়েসুস আরও বলেন, “যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও অংশীদার সংস্থাগুলো শিশুদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পারছে। পাশাপাশি ধ্বংসপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যব্যবস্থার পুনর্গঠনেও সহায়তা করা সম্ভব হচ্ছে।”

এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের স্বাস্থ্য রক্ষা করা এবং গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা উভয়ই লক্ষ্য করা হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

ফিলিস্তিনে শিশুদের জন্য ৪০ হাজার টিকা প্রদানের পরিকল্পনা ডব্লিউএইচও’র

আপডেট সময় : ০৩:৫৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে বৃহত্তর টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনার পরিকল্পনা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থার লক্ষ্য ৪০ হাজারের বেশি শিশুকে হাম, হুপিং কাশি, হেপাটাইটিস বি, যক্ষ্মা ও পোলিওসহ একাধিক রোগের বিরুদ্ধে টিকা দেওয়া।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মাসে তিন বছরের কম বয়সী ১০ হাজারের বেশি শিশুকে প্রথম ধাপে টিকা দেওয়া হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসুস জানিয়েছেন, প্রথম ধাপের মেয়াদ সম্প্রসারণ করে শনিবার পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে সহযোগিতা করবে ইউনিসেফসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা। পুরো কার্যক্রমের তত্ত্বাবধানে থাকবে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ঘেব্রেয়েসুস আরও বলেন, “যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও অংশীদার সংস্থাগুলো শিশুদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পারছে। পাশাপাশি ধ্বংসপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যব্যবস্থার পুনর্গঠনেও সহায়তা করা সম্ভব হচ্ছে।”

এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের স্বাস্থ্য রক্ষা করা এবং গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা উভয়ই লক্ষ্য করা হয়েছে।