ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

মিস ইউনিভার্সে ‘অবৈধ জুরি’ বিতর্ক, দুই বিচারকের পদত্যাগ

থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম আসরকে ঘিরে বড় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ এনে জুরিবোর্ড থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন দুই বিচারক—লেবানিজ-ফরাসি সংগীতশিল্পী ওমর হারফুশ এবং ফরাসি ফুটবল ম্যানেজার ক্লদ মাকেলেলে।

মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে হারফুশ দাবি করেন, ১৩৬ দেশের প্রতিযোগীর মধ্য থেকে ৩০ জন ফাইনালিস্ট বাছাইয়ের জন্য একটি ‘অনানুষ্ঠানিক জুরি’ তৈরি করা হয়েছে, আর সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় প্রকৃত জুরিবোর্ডের কেউই উপস্থিত ছিলেন না। তিনি আরও বলেন, অনানুষ্ঠানিক কমিটিতে এমন ব্যক্তিরা আছেন যাদের কিছু প্রতিযোগীর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে।

তবে তার অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে মিস ইউনিভার্স কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, কোনো বাইরের দলকে মূল্যায়ন বা ফাইনালিস্ট নির্বাচন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। হারফুশ হয়তো ‘বিয়ন্ড দ্য ক্রাউন’ নামের সামাজিক উদ্যোগটিকে ভুলভাবে বিচারকমণ্ডলী হিসেবে ভেবে বিভ্রান্ত হয়েছেন।

হারফুশের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর মাকেলেলে ‘ব্যক্তিগত কারণ’ দেখিয়ে জুরিবোর্ড ছাড়েন। তিনি জানান, মিস ইউনিভার্স ক্ষমতায়ন ও বৈচিত্র্যের প্রতীক, তবে ব্যক্তিগত কারণে দায়িত্ব পালন করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

এর আগে থাইল্যান্ডের আয়োজক কমিটির পরিচালক নাওয়াত ইটসারাগ্রিসিলকে কেন্দ্র করে প্রতিযোগিতায় আরেক দফা বিতর্ক সৃষ্টি হয়। প্রাক্-ইভেন্টে তিনি মিস মেক্সিকো ফাতিমা বোশকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট পোস্ট না করার জন্য প্রকাশ্যে প্রশ্ন করেন। ভিডিও ভাইরাল হলে কয়েকজন প্রতিযোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। পরে নাওয়াত দাবি করেন, তাঁর কথার কিছু অংশ ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

মিস ইউনিভার্সে ‘অবৈধ জুরি’ বিতর্ক, দুই বিচারকের পদত্যাগ

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম আসরকে ঘিরে বড় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ এনে জুরিবোর্ড থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন দুই বিচারক—লেবানিজ-ফরাসি সংগীতশিল্পী ওমর হারফুশ এবং ফরাসি ফুটবল ম্যানেজার ক্লদ মাকেলেলে।

মঙ্গলবার ইনস্টাগ্রামে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে হারফুশ দাবি করেন, ১৩৬ দেশের প্রতিযোগীর মধ্য থেকে ৩০ জন ফাইনালিস্ট বাছাইয়ের জন্য একটি ‘অনানুষ্ঠানিক জুরি’ তৈরি করা হয়েছে, আর সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় প্রকৃত জুরিবোর্ডের কেউই উপস্থিত ছিলেন না। তিনি আরও বলেন, অনানুষ্ঠানিক কমিটিতে এমন ব্যক্তিরা আছেন যাদের কিছু প্রতিযোগীর সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে।

তবে তার অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছে মিস ইউনিভার্স কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবি, কোনো বাইরের দলকে মূল্যায়ন বা ফাইনালিস্ট নির্বাচন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। হারফুশ হয়তো ‘বিয়ন্ড দ্য ক্রাউন’ নামের সামাজিক উদ্যোগটিকে ভুলভাবে বিচারকমণ্ডলী হিসেবে ভেবে বিভ্রান্ত হয়েছেন।

হারফুশের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর মাকেলেলে ‘ব্যক্তিগত কারণ’ দেখিয়ে জুরিবোর্ড ছাড়েন। তিনি জানান, মিস ইউনিভার্স ক্ষমতায়ন ও বৈচিত্র্যের প্রতীক, তবে ব্যক্তিগত কারণে দায়িত্ব পালন করা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়।

এর আগে থাইল্যান্ডের আয়োজক কমিটির পরিচালক নাওয়াত ইটসারাগ্রিসিলকে কেন্দ্র করে প্রতিযোগিতায় আরেক দফা বিতর্ক সৃষ্টি হয়। প্রাক্-ইভেন্টে তিনি মিস মেক্সিকো ফাতিমা বোশকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট পোস্ট না করার জন্য প্রকাশ্যে প্রশ্ন করেন। ভিডিও ভাইরাল হলে কয়েকজন প্রতিযোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। পরে নাওয়াত দাবি করেন, তাঁর কথার কিছু অংশ ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।