ঢাকা ০২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

পাকিস্তানে কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ: নিহত ১৫, নিখোঁজ আশঙ্কা আরও

 পাকিস্তানের ফয়সালাবাদে একটি গ্লু তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বয়লার বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত আরও সাতজনকে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) ভোরে মালিকপুর এলাকার কারখানাটিতে এই বিস্ফোরণ ঘটে। তীব্র বিস্ফোরণের শক্তিতে ভবনটি ধসে পড়ার পাশাপাশি আশপাশের বেশ কয়েকটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লিকেজ থেকেই বয়লারটি বিস্ফোরিত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, নিহতদের বেশিরভাগই কারখানার পাশের বাড়ির বাসিন্দা। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ ব্যক্তিগতভাবে উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করছেন।

প্রথমে তিনজনের মৃত্যু ও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও ধ্বংসস্তূপ সরানোর পর মৃতের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে ১০ এবং পরে ১৫-তে পৌঁছায়। আহতদের মধ্যেও কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

রেসকিউ কর্মকর্তারা জানান, বিস্ফোরণে কারখানার ভবন ধসে আগুন ধরে যায়। ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে, আরও মানুষ ভেতরে আটকা থাকতে পারেন। বিস্ফোরণটি ঘটেছে কারখানার কেমিক্যাল গুদামে, যার ফলে ভবনের বড় অংশ—বিশেষ করে ছাদের অধিকাংশ—ধসে পড়ে। কারখানার পেছনের সাত-আটটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব বাড়ির ছাদ ধসে পড়ায় বাসিন্দা এবং কারখানার শ্রমিকরা আটকা পড়েন।

উদ্ধারকর্মীরা সম্ভাব্য আরও হতাহতদের সন্ধানে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন, এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে—মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

পাকিস্তানে কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ: নিহত ১৫, নিখোঁজ আশঙ্কা আরও

আপডেট সময় : ০৭:১১:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

 পাকিস্তানের ফয়সালাবাদে একটি গ্লু তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বয়লার বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত আরও সাতজনকে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) ভোরে মালিকপুর এলাকার কারখানাটিতে এই বিস্ফোরণ ঘটে। তীব্র বিস্ফোরণের শক্তিতে ভবনটি ধসে পড়ার পাশাপাশি আশপাশের বেশ কয়েকটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, গ্যাস লিকেজ থেকেই বয়লারটি বিস্ফোরিত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, নিহতদের বেশিরভাগই কারখানার পাশের বাড়ির বাসিন্দা। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ ব্যক্তিগতভাবে উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি করছেন।

প্রথমে তিনজনের মৃত্যু ও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও ধ্বংসস্তূপ সরানোর পর মৃতের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে ১০ এবং পরে ১৫-তে পৌঁছায়। আহতদের মধ্যেও কয়েকজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

রেসকিউ কর্মকর্তারা জানান, বিস্ফোরণে কারখানার ভবন ধসে আগুন ধরে যায়। ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে, আরও মানুষ ভেতরে আটকা থাকতে পারেন। বিস্ফোরণটি ঘটেছে কারখানার কেমিক্যাল গুদামে, যার ফলে ভবনের বড় অংশ—বিশেষ করে ছাদের অধিকাংশ—ধসে পড়ে। কারখানার পেছনের সাত-আটটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব বাড়ির ছাদ ধসে পড়ায় বাসিন্দা এবং কারখানার শ্রমিকরা আটকা পড়েন।

উদ্ধারকর্মীরা সম্ভাব্য আরও হতাহতদের সন্ধানে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন, এবং আশঙ্কা করা হচ্ছে—মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।