ঢাকা ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক শেষে জোহরান মামদানি: নিউইয়র্কের জননিরাপত্তাই প্রধান অগ্রাধিকার

নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক শুক্রবার হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত হয়। এক ঘণ্টার এই বৈঠকে তারা আবাসন, বিদ্যুতের খরচ, নগরে নতুন নির্মাণ প্রকল্প এবং অভিবাসন বিষয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের সামনে ট্রাম্প মামদানিকে প্রশংসা করেন এবং বলেন, “আমরা অনেক বিষয়ে একমত, যা আমি ভাবতেও পারিনি।” বৈঠক দুই পক্ষের মধ্যে ইতিবাচকভাবে শেষ হয়েছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও আশা জাগাচ্ছে।

মামদানির বরাতে জানা যায়, তিনি অভিবাসন বিষয়েও আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার সীমার মধ্যে থাকলে নিউইয়র্কের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাদের সহযোগিতা করবে। তবে স্থানীয় সংস্থা বড় আকারে কেন্দ্রকে সাহায্য করতে বাধ্য নয়।

বৈঠকের পর রোববার ব্রঙ্কসের এক চার্চে সমবেত মানুষের কাছে তিনি বলেন, “কাজ করাটা আমার দায়িত্ব। তা করতে গেলে আমাকে যে কারও সঙ্গেই কাজ করতে হবে—প্রতিপক্ষ, ভিন্ন দল বা গভীর মতবিরোধ থাকলেও।” একইসঙ্গে মামদানির আগের মন্তব্য অনুযায়ী, তিনি এখনও ট্রাম্পকে ফ্যাসিবাদী মনে করেন।

মোটকথা, বৈঠক জননিরাপত্তা এবং নগর উন্নয়নকে কেন্দ্র করে হলেও রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও দু’পক্ষ সংলাপ চালানোর মনোভাব দেখিয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক শেষে জোহরান মামদানি: নিউইয়র্কের জননিরাপত্তাই প্রধান অগ্রাধিকার

আপডেট সময় : ০৭:৫০:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

নিউইয়র্কের নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানির সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠক শুক্রবার হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত হয়। এক ঘণ্টার এই বৈঠকে তারা আবাসন, বিদ্যুতের খরচ, নগরে নতুন নির্মাণ প্রকল্প এবং অভিবাসন বিষয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকের পর সংবাদমাধ্যমের সামনে ট্রাম্প মামদানিকে প্রশংসা করেন এবং বলেন, “আমরা অনেক বিষয়ে একমত, যা আমি ভাবতেও পারিনি।” বৈঠক দুই পক্ষের মধ্যে ইতিবাচকভাবে শেষ হয়েছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও আশা জাগাচ্ছে।

মামদানির বরাতে জানা যায়, তিনি অভিবাসন বিষয়েও আলোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার সীমার মধ্যে থাকলে নিউইয়র্কের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাদের সহযোগিতা করবে। তবে স্থানীয় সংস্থা বড় আকারে কেন্দ্রকে সাহায্য করতে বাধ্য নয়।

বৈঠকের পর রোববার ব্রঙ্কসের এক চার্চে সমবেত মানুষের কাছে তিনি বলেন, “কাজ করাটা আমার দায়িত্ব। তা করতে গেলে আমাকে যে কারও সঙ্গেই কাজ করতে হবে—প্রতিপক্ষ, ভিন্ন দল বা গভীর মতবিরোধ থাকলেও।” একইসঙ্গে মামদানির আগের মন্তব্য অনুযায়ী, তিনি এখনও ট্রাম্পকে ফ্যাসিবাদী মনে করেন।

মোটকথা, বৈঠক জননিরাপত্তা এবং নগর উন্নয়নকে কেন্দ্র করে হলেও রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও দু’পক্ষ সংলাপ চালানোর মনোভাব দেখিয়েছে।