ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

ফরিদপুরে শিশু জায়ান হত্যায় প্রতিবেশী ইউনুস গ্রেপ্তার

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় শিশু জায়ান হত্যায় জড়িত সন্দেহে প্রতিবেশী মো. ইউনুস মোল্যাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে তাকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ফরিদপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ইউনুস মোল্যা (৪৬) নিহত শিশু জায়ানের প্রতিবেশী এবং পাকুড়িয়া গ্রামের মৃত মনির উদ্দিন মোল্যার ছেলে। এর আগে সোমবার (২৪ নভেম্বর) তাকে নিজের বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছিল।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে পাকুড়িয়া গ্রামের বাগান থেকে জায়ান রহমানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের মা সিনথিয়া বেগম একই দিনে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে আবির্ভূত হয় শিশুটির ঝুলন্ত দড়ি। পুলিশ জানায়, ইউনুস মোল্যা ১০–১৫ দিন আগে টাবনী বাজারের একটি মুদি দোকান থেকে একই ধরনের রশি কিনেছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এই বিষয়টি অস্বীকার করেন, যা পুলিশকে আরও সন্দেহজনক মনে হয়েছে।

আলফাডাঙ্গা থানার ওসি মো. শাহজালাল আলম বলেন, ঘটনার সঙ্গে কিছুটা সম্পৃক্ততা ও রশি কেনার বিষয়ে মিথ্যা বলার কারণে ইউনুসকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তারা ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতের অনুমতি চাইবে, যাতে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন করা যায় এবং অন্য জড়িতদের খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

ফরিদপুরে শিশু জায়ান হত্যায় প্রতিবেশী ইউনুস গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১২:৪৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় শিশু জায়ান হত্যায় জড়িত সন্দেহে প্রতিবেশী মো. ইউনুস মোল্যাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে তাকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ফরিদপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ইউনুস মোল্যা (৪৬) নিহত শিশু জায়ানের প্রতিবেশী এবং পাকুড়িয়া গ্রামের মৃত মনির উদ্দিন মোল্যার ছেলে। এর আগে সোমবার (২৪ নভেম্বর) তাকে নিজের বাড়ি থেকে আটক করা হয়েছিল।

থানা সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) দুপুরে পাকুড়িয়া গ্রামের বাগান থেকে জায়ান রহমানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের মা সিনথিয়া বেগম একই দিনে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে আবির্ভূত হয় শিশুটির ঝুলন্ত দড়ি। পুলিশ জানায়, ইউনুস মোল্যা ১০–১৫ দিন আগে টাবনী বাজারের একটি মুদি দোকান থেকে একই ধরনের রশি কিনেছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এই বিষয়টি অস্বীকার করেন, যা পুলিশকে আরও সন্দেহজনক মনে হয়েছে।

আলফাডাঙ্গা থানার ওসি মো. শাহজালাল আলম বলেন, ঘটনার সঙ্গে কিছুটা সম্পৃক্ততা ও রশি কেনার বিষয়ে মিথ্যা বলার কারণে ইউনুসকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তারা ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতের অনুমতি চাইবে, যাতে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন করা যায় এবং অন্য জড়িতদের খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়।