ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা–ভূমিধসে মৃত ৯০০ ছাড়াল, নিখোঁজ শতাধিক

ঘূর্ণিঝড় ও টানা ভারী বর্ষণে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা ও আচেহ প্রদেশে সৃষ্ট বন্যা–ভূমিধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯১৬ জনে।

প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় সরকারের বরাত দিয়ে শনিবার এ তথ্য জানায় রয়টার্স। একই সঙ্গে এখনও অন্তত ২৭৪ জন নিখোঁজ বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আচেহর তামিয়াং জেলার বাসিন্দারা জানান, বন্যার কারণে খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। জেলার এক ইসলামি আবাসিক স্কুলের শিক্ষার্থী দিমাস ফিরমানসিয়াহ রয়টার্সকে জানায়, তারা এক সপ্তাহ ধরে স্কুল হোস্টেলে আটকা এবং পানির সংকটে বন্যার পানি পান করতেই বাধ্য হচ্ছে।

তামিয়াংয়ের আরো অনেক বাসিন্দা বলেন, সরকারি সহায়তা কেন্দ্র থেকে খাবার ও পানি আনতে তাদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট প্রবাও সুবিয়ান্তো কয়েক দিন আগে পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে যাচ্ছে বলে দাবি করলেও সুমাত্রা ও আচেহর স্থানীয় প্রশাসন তার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে। দুই প্রদেশই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জরুরি অবস্থা ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা–ভূমিধসে মৃত ৯০০ ছাড়াল, নিখোঁজ শতাধিক

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

ঘূর্ণিঝড় ও টানা ভারী বর্ষণে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা ও আচেহ প্রদেশে সৃষ্ট বন্যা–ভূমিধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯১৬ জনে।

প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় সরকারের বরাত দিয়ে শনিবার এ তথ্য জানায় রয়টার্স। একই সঙ্গে এখনও অন্তত ২৭৪ জন নিখোঁজ বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আচেহর তামিয়াং জেলার বাসিন্দারা জানান, বন্যার কারণে খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে দুর্গম এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। জেলার এক ইসলামি আবাসিক স্কুলের শিক্ষার্থী দিমাস ফিরমানসিয়াহ রয়টার্সকে জানায়, তারা এক সপ্তাহ ধরে স্কুল হোস্টেলে আটকা এবং পানির সংকটে বন্যার পানি পান করতেই বাধ্য হচ্ছে।

তামিয়াংয়ের আরো অনেক বাসিন্দা বলেন, সরকারি সহায়তা কেন্দ্র থেকে খাবার ও পানি আনতে তাদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট প্রবাও সুবিয়ান্তো কয়েক দিন আগে পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে যাচ্ছে বলে দাবি করলেও সুমাত্রা ও আচেহর স্থানীয় প্রশাসন তার সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে। দুই প্রদেশই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জরুরি অবস্থা ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছে।