ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

সুদানের কোরদোফানে ড্রোন হামলায় ৭৯ নিহত

সুদানের দক্ষিণ কোরদোফান অঙ্গরাজ্যের কালোগি শহরে একাধিক ড্রোন হামলায় কমপক্ষে ৭৯ জন নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, হামলার তিন দফায় প্রথমে একটি কিন্ডারগার্টেন, এরপর একটি হাসপাতাল এবং শেষ দফায় শিশুদের উদ্ধার করতে এগিয়ে আসা মানুষদের লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়।কালোগি প্রশাসনের প্রধান ইসাম আল-দিন আল-সাইয়েদ স্টারলিংকের মাধ্যমে এএফপিকে জানিয়েছেন, এই হামলার দায় র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) এবং আবদেলআজিজ আল-হিলুর নেতৃত্বাধীন সুদান পিপলস লিবারেশন মুভমেন্ট-নর্থের ওপর চাপানো হয়েছে।

সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক আরএসএফের মধ্যে চলমান সংঘাতে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ইতিমধ্যেই কয়েক হাজার মানুষ নিহত এবং প্রায় ১.২ কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ধ্বংসপ্রাপ্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে ঘটনার স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন হয়েছে।

জাতিসংঘের শিশু সংস্থা জানিয়েছে, হামলায় পাঁচ থেকে সাত বছরের ১০ জনের বেশি শিশু নিহত হয়েছে। সেনাবাহিনী-সমর্থিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিহতের সংখ্যা ৭৯ জন জানিয়েছে, যার মধ্যে ৪৩ জন শিশু।
ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেন, “বিদ্যালয়ে শিশুদের হত্যা শিশু অধিকারগুলোর ভয়াবহ লঙ্ঘন।” তিনি সব পক্ষকে হামলা বন্ধ করার এবং মানবিক সহায়তার প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
অক্টোবরের শেষ দিকে পশ্চিম সুদানে সেনাবাহিনীর ঘাঁটি দখলের পর আরএসএফ পূর্ব কোরদোফান অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গত এক মাসে এই অঞ্চল থেকে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ পালিয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, আধাসামরিক হামলার লক্ষ্য হলো মধ্য সুদানের প্রতিরক্ষা বলয় ভেঙে বড় শহর পুনর্দখলের পথ প্রস্তুত করা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

সুদানের কোরদোফানে ড্রোন হামলায় ৭৯ নিহত

আপডেট সময় : ০৬:১৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

সুদানের দক্ষিণ কোরদোফান অঙ্গরাজ্যের কালোগি শহরে একাধিক ড্রোন হামলায় কমপক্ষে ৭৯ জন নিহত হয়েছেন।

স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, হামলার তিন দফায় প্রথমে একটি কিন্ডারগার্টেন, এরপর একটি হাসপাতাল এবং শেষ দফায় শিশুদের উদ্ধার করতে এগিয়ে আসা মানুষদের লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়।কালোগি প্রশাসনের প্রধান ইসাম আল-দিন আল-সাইয়েদ স্টারলিংকের মাধ্যমে এএফপিকে জানিয়েছেন, এই হামলার দায় র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) এবং আবদেলআজিজ আল-হিলুর নেতৃত্বাধীন সুদান পিপলস লিবারেশন মুভমেন্ট-নর্থের ওপর চাপানো হয়েছে।

সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক আরএসএফের মধ্যে চলমান সংঘাতে ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে ইতিমধ্যেই কয়েক হাজার মানুষ নিহত এবং প্রায় ১.২ কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ধ্বংসপ্রাপ্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে ঘটনার স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন হয়েছে।

জাতিসংঘের শিশু সংস্থা জানিয়েছে, হামলায় পাঁচ থেকে সাত বছরের ১০ জনের বেশি শিশু নিহত হয়েছে। সেনাবাহিনী-সমর্থিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিহতের সংখ্যা ৭৯ জন জানিয়েছে, যার মধ্যে ৪৩ জন শিশু।
ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেন, “বিদ্যালয়ে শিশুদের হত্যা শিশু অধিকারগুলোর ভয়াবহ লঙ্ঘন।” তিনি সব পক্ষকে হামলা বন্ধ করার এবং মানবিক সহায়তার প্রবেশের সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
অক্টোবরের শেষ দিকে পশ্চিম সুদানে সেনাবাহিনীর ঘাঁটি দখলের পর আরএসএফ পূর্ব কোরদোফান অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হয়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গত এক মাসে এই অঞ্চল থেকে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ পালিয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, আধাসামরিক হামলার লক্ষ্য হলো মধ্য সুদানের প্রতিরক্ষা বলয় ভেঙে বড় শহর পুনর্দখলের পথ প্রস্তুত করা।