ঢাকা ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২

যমুনার উদ্দেশ্যে ‘লং মার্চ’ আটকাল পুলিশ: প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের

অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোর স্বীকৃতি এবং এমপিওভুক্তির দাবিতে ঘোষিত ‘লং মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি পুলিশ আটকে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে যমুনার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলে কদম ফোয়ারার সামনে পুলিশের ব্যারিকেডে থেমে যায় শিক্ষকদের অগ্রযাত্রা।

দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে পুলিশ ব্যারিকেড দেওয়ার পর আন্দোলনরত শিক্ষকরা রাস্তায় বসে পড়েন এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে শুরু করেন। এতে আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।
এদিকে জানা গেছে, শিক্ষকদের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল যমুনার দিকে এগিয়ে গেছে।

শিক্ষকরা জানান, দেশের বিশেষায়িত অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলো অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। তাই তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে আছে— ১. সব বিশেষ বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তি নিশ্চিত করা। ২. অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ। ৩. বিশেষ শিক্ষার্থীদের জন্য মাসিক ৩,০০০ টাকার উপবৃত্তি, পাশাপাশি মিডডে মিল, মানসম্মত শিক্ষাসামগ্রী, খেলাধুলার সরঞ্জাম এবং থেরাপি সেন্টার নিশ্চিত করা। ৪. ভোকেশনাল কারিকুলামের আওতায় শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা। ৫. চাকরির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার প্রদান।

শিক্ষকরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা

যমুনার উদ্দেশ্যে ‘লং মার্চ’ আটকাল পুলিশ: প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের

আপডেট সময় : ০৫:২৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলোর স্বীকৃতি এবং এমপিওভুক্তির দাবিতে ঘোষিত ‘লং মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি পুলিশ আটকে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে যমুনার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলে কদম ফোয়ারার সামনে পুলিশের ব্যারিকেডে থেমে যায় শিক্ষকদের অগ্রযাত্রা।

দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে পুলিশ ব্যারিকেড দেওয়ার পর আন্দোলনরত শিক্ষকরা রাস্তায় বসে পড়েন এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে শুরু করেন। এতে আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।
এদিকে জানা গেছে, শিক্ষকদের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল যমুনার দিকে এগিয়ে গেছে।

শিক্ষকরা জানান, দেশের বিশেষায়িত অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়গুলো অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। তাই তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে আছে— ১. সব বিশেষ বিদ্যালয়ের স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তি নিশ্চিত করা। ২. অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবন্ধীবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ। ৩. বিশেষ শিক্ষার্থীদের জন্য মাসিক ৩,০০০ টাকার উপবৃত্তি, পাশাপাশি মিডডে মিল, মানসম্মত শিক্ষাসামগ্রী, খেলাধুলার সরঞ্জাম এবং থেরাপি সেন্টার নিশ্চিত করা। ৪. ভোকেশনাল কারিকুলামের আওতায় শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা। ৫. চাকরির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার প্রদান।

শিক্ষকরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।