ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২

শাহজালাল বিমানবন্দরে ৭৬ স্পাই ডিভাইস জব্দ: দুই সদস্য আটক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহিরাঙ্গন এলাকা থেকে নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত ৭৬টি স্পাই ডিভাইস জব্দ করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন-১৩)। শুক্রবার সকালে অভিযানে শাহারুন আলী (৩৮) এবং মো. ইকবাল হোসেন জীবন (৩৫) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এপিবিএন জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আটক করার পর উদ্ধার করা হয় ৫০টি অদৃশ্য ইয়ারপিস, ৩টি ল্যাপটপ, ৬টি মোবাইল ফোনসহ মোট ৭৬টি ক্রেডিট কার্ড আকৃতির ডিজিটাল স্পাই ডিভাইস। গ্রেপ্তার শাহারুন আলী চীন থেকে সাধারণ যাত্রীর ছদ্মবেশে ডিভাইসগুলো দেশে নিয়ে আসে এবং বিমানবন্দর এলাকায় থাকা সহযোগীর কাছে এগুলো হস্তান্তরের চেষ্টা করছিল।

স্পাই ডিভাইসগুলো সিমকার্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কল রিসিভ করতে পারে, আর অদৃশ্য ইয়ারপিস পরীক্ষার্থীর কানে লুকিয়ে রাখা হয়—যা বাহির থেকেই শনাক্ত করা কঠিন। এর মাধ্যমে পরীক্ষা চলাকালে চক্রের সদস্যরা সরাসরি তথ্য পাঠাতে পারে। পরীক্ষা শেষে স্বচ্ছ এক্সট্রাকশন থ্রেড ব্যবহার করে ইয়ারপিস বের করে নেওয়া হয়।

ঘটনার পর বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে। এপিবিএন জানায়, পরীক্ষায় জালিয়াতি রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

এস এ গ্রুপের মালিক শাহাবুদ্দিনের মা, স্ত্রী, ভাই ও সন্তানদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

শাহজালাল বিমানবন্দরে ৭৬ স্পাই ডিভাইস জব্দ: দুই সদস্য আটক

আপডেট সময় : ০৫:৫১:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহিরাঙ্গন এলাকা থেকে নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত ৭৬টি স্পাই ডিভাইস জব্দ করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন-১৩)। শুক্রবার সকালে অভিযানে শাহারুন আলী (৩৮) এবং মো. ইকবাল হোসেন জীবন (৩৫) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এপিবিএন জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আটক করার পর উদ্ধার করা হয় ৫০টি অদৃশ্য ইয়ারপিস, ৩টি ল্যাপটপ, ৬টি মোবাইল ফোনসহ মোট ৭৬টি ক্রেডিট কার্ড আকৃতির ডিজিটাল স্পাই ডিভাইস। গ্রেপ্তার শাহারুন আলী চীন থেকে সাধারণ যাত্রীর ছদ্মবেশে ডিভাইসগুলো দেশে নিয়ে আসে এবং বিমানবন্দর এলাকায় থাকা সহযোগীর কাছে এগুলো হস্তান্তরের চেষ্টা করছিল।

স্পাই ডিভাইসগুলো সিমকার্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কল রিসিভ করতে পারে, আর অদৃশ্য ইয়ারপিস পরীক্ষার্থীর কানে লুকিয়ে রাখা হয়—যা বাহির থেকেই শনাক্ত করা কঠিন। এর মাধ্যমে পরীক্ষা চলাকালে চক্রের সদস্যরা সরাসরি তথ্য পাঠাতে পারে। পরীক্ষা শেষে স্বচ্ছ এক্সট্রাকশন থ্রেড ব্যবহার করে ইয়ারপিস বের করে নেওয়া হয়।

ঘটনার পর বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে। এপিবিএন জানায়, পরীক্ষায় জালিয়াতি রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।